প্রকাশিত:
১৭ মার্চ ২০২৬, ১১:২০
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সামনে আনেছে দেশটির ক্ষমতার অন্দরমহলের জটিল বাস্তবতা। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-এর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার প্রশ্নে শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন তৈরি হয়।
একদিকে সামরিক নেতৃত্ব ও কট্টরপন্থীরা পূর্ববর্তী নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চেয়েছে, অন্যদিকে মধ্যপন্থীরা পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নেয়। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন নেতৃত্ব আনার পক্ষে যুক্তি দেয়।
এই দ্বন্দ্বের মধ্যে বেশ কয়েকটি নাটকীয় ঘটনা ঘটে। এমনকি খামেনির পরিবারের সদস্যদের উত্তরাধিকার হওয়া উচিত কি না, তা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়।
শেষ পর্যন্ত ধর্মীয় পরিষদের ভোটে মোজতবা খামেনি বিজয়ী হন। যদিও এটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ছিল না, তবুও সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন তাকে ক্ষমতায় বসায়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রক্রিয়া দেখিয়েছে যে ইরানের ক্ষমতার কাঠামো এখনও গভীরভাবে রাজনৈতিক ও সামরিক প্রভাবের ওপর নির্ভরশীল।
মন্তব্য করুন: