প্রকাশিত:
১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আদালতে শুরু হয়েছে আইনি লড়াই। কারচুপির অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে নির্বাচন পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম হাইকোর্টে এই মামলা করেন।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে।
মামলায় দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আসনে ভোটগ্রহণে বিভিন্ন অনিয়ম হয়েছে এবং প্রকৃত ফলাফল প্রতিফলিত হয়নি।
এদিকে একই অভিযোগে বিএনপি ও জামায়াতের আরও কয়েকজন প্রার্থীও হাইকোর্টে পৃথক মামলা দায়ের করেছেন।
তাদের মধ্যে খুলনা-৫ আসনের মিয়া গোলাম পরওয়ার, বরগুনা-২ আসনের ডা. সুলতান আহমেদ এবং পিরোজপুর-২ আসনের শামীম সাঈদী উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের শরিফুজ্জামান শরীফ, মাদারীপুর-১ আসনের নাদিরা আক্তার এবং নীলফামারী-২ আসনের শাহরিন ইসলামও নির্বাচন পিটিশন করেছেন।
এর আগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ আরও কয়েকজন প্রার্থী একই ধরনের অভিযোগ তুলে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী আদালতে নির্বাচন পিটিশন দায়ের করতে পারেন।
হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব মামলার শুনানি শেষে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফল নিয়ে সিদ্ধান্ত দেবে।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনকে ঘিরে একের পর এক মামলা নতুন রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিতে পারে
মন্তব্য করুন: