প্রকাশিত:
১২ মার্চ ২০২৬, ১১:২২
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন পরিপত্রে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসসহ বেশ কয়েকটি পরিচিত দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বুধবার নতুন এই পরিপত্র জারি করেছে। এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে জারি করা আগের নির্দেশনাটি বাতিল করা হলেও মূল সিদ্ধান্তগুলো বহাল রাখা হয়েছে।
সরকারি তালিকা থেকে বাদ পড়া দিবসগুলোর মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস, শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, শেখ রাসেল দিবস, জাতীয় সংবিধান দিবস এবং স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।
নতুন তালিকায় যুক্ত হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন হিসেবে ৫ আগস্ট দিবসটি পালন করা হবে।
এছাড়া ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের সময় রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্র আবু সাঈদের স্মরণে ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্তও বহাল রয়েছে।
নতুন পরিপত্রে দিবসগুলোকে ক, খ ও গ—এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
ক-শ্রেণির দিবসগুলো জাতীয় পর্যায়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা হবে।
খ-শ্রেণির দিবসগুলো বড় পরিসরে উদযাপন করা যাবে এবং এসব অনুষ্ঠানে মন্ত্রীরা অংশ নিতে পারবেন। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো যাবে।
অন্যদিকে গ-শ্রেণির দিবসগুলো সীমিত আকারে পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এসব দিবসের জন্য আলাদা বরাদ্দ থাকবে না।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় বা পুনরাবৃত্তিমূলক দিবস পালনে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
সরকারি সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দিবস পালনের আয়োজন সংক্ষিপ্ত ও সীমিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকার আশা করছে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দিবস পালনে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং সরকারি সম্পদের অপচয় কমবে।
মন্তব্য করুন: