প্রকাশিত:
২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৫১
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পরই বিএনপি দেশের উন্নয়নের কাজ শুরু করেছে। তিনি বলেন, “হাসিনার আমলে আমরা কিছু করতে পারিনি। তিনি চলে যাওয়ার পরই আমরা উন্নয়নের কাজ শুরু করেছি। আগে একজন মানুষের আয় ছিল ১০০ টাকা, এখন তা বেড়ে ২০০ টাকা হয়েছে, এটিই আমাদের উন্নয়ন।” তিনি আরও যোগ করেন, “কর্মসংস্থান বাড়লে মানুষের জীবনমান উন্নত হবে। কৃষির উন্নতি হলে দেশেরও উন্নতি হবে।”
মির্জা ফখরুল এই মন্তব্যগুলো করেছেন বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নিজের নির্বাচনী এলাকা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠানে।
তিনি ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, “আগামী নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আমরা ভুল করব। বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। দীর্ঘ ১৮ বছর জিয়া দেশে আসতে পারেননি। যেদিন প্রথমবার তিনি দেশে ফিরলেন, সেদিন পুরো দেশ আনন্দে ভরে উঠেছিল।”
বিএনপির সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, “তারেক রহমান প্রথম দিনই ঘোষণা করেছিলেন যে তার একটি পরিকল্পনা আছে। সেটি হলো দেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ। মায়েদের উন্নতি করা, শিক্ষার সুযোগ ন্যায্য মূল্যে দেওয়া, স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া—এই সবই তার পরিকল্পনায় রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মানুষ এসব সুবিধা পাবে। এছাড়া কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সার ও বীজসহ কৃষিজাত পণ্য সরবরাহ করা হবে। কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।”
জামায়াতের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, “১৯৭১ সালে পাকবাহিনী ভীতিকর অত্যাচার চালিয়েছিল। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় যারা পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগিতা করেছে, আমরা তাদের তালিকাও জানি। আগে ৭১ সালের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে, তারপর ভোট চাইতে হবে।”
বক্তারা মনে করিয়ে দেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন কর্মসূচি কর্মসংস্থান, কৃষি ও সামাজিক নিরাপত্তার ওপর নির্ভর করছে। মির্জা ফখরুলের ভাষ্য, জনগণ যদি ঠিকভাবে ভোট দেন, তবে দেশের উন্নয়ন ও প্রগতি দ্রুত সম্ভব হবে।
মন্তব্য করুন: