শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

আড্ডা থাকবে, তর্ক নয়: নির্বাচনকালে মানসিক শান্তি ধরে রাখার গাইড

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:১৪

  নির্বাচনের মৌসুম মানেই আবেগের তুঙ্গে থাকা সময়। অনেকেই নিজের রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করতে চান জোরালোভাবে। আবার অনেকে চান নিরপেক্ষ থাকতে, শুধু সম্পর্কগুলো ঠিক রাখতে।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, আলোচনা উত্তপ্ত হওয়ার আগেই সংকেত বুঝে নেওয়া জরুরি। গলার স্বর চড়া হওয়া, ব্যক্তিগত মন্তব্য বা একই কথা বারবার বলা—এসবই তর্কের পূর্বাভাস।

এমন পরিস্থিতিতে শরীরী ভাষার ভূমিকা বড়। একটু দূরে সরে দাঁড়ানো, ফোনে মনোযোগ দেওয়া বা আলোচনার বাইরে অন্য কাজে যুক্ত হওয়া অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়াতে সাহায্য করে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের অনুভূতির দায় নেওয়া। “আমি এখন এই আলোচনায় স্বস্তি পাচ্ছি না”—এই একটি বাক্য কাউকে দোষ না দিয়েই পরিস্থিতি থামাতে পারে।

নির্বাচন আসবে, যাবে। কিন্তু সম্পর্ক ও মানসিক শান্তি টিকিয়ে রাখাই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর