প্রকাশিত:
২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:১৪
ইরানের নিরাপত্তানীতির মূল ভিত্তি ‘ফরোয়ার্ড ডিফেন্স’—যেন যুদ্ধ কখনো দেশের ভেতরে না আসে। এই কৌশলের আওতায় পরমাণু কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আঞ্চলিক সশস্ত্র মিত্রদের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। তবে এই কাঠামোর যেকোনো একটিতে পরিবর্তন আনা মানেই খামেনির দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা দর্শনে বড় ধাক্কা।
সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ায় মিত্র সরকারের পতন, লেবাননে হিজবুল্লাহর ক্ষয়ক্ষতি এবং ইসরায়েলের সরাসরি হামলা ইরানের আঞ্চলিক শক্তিকে দুর্বল করেছে। এর ফলে দেশটির সেই ‘সামাজিক চুক্তি’ ভেঙে পড়ছে, যেখানে রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিনিময়ে নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়া হতো।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষমতার ভারসাম্য ইতোমধ্যেই বদলাতে শুরু করেছে। ধর্মতাত্ত্বিক নেতৃত্বের পরিবর্তে সামরিক শক্তি, বিশেষ করে রেভোল্যুশনারি গার্ডস, ধীরে ধীরে অর্থনীতি ও রাজনীতির প্রধান নিয়ন্ত্রকে পরিণত হচ্ছে। খামেনির পরবর্তী সময়ে ইরান বর্তমান কাঠামোয় থাকবে কি না, তা নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
মন্তব্য করুন: