শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

কেন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লেন ‘অ্যাভাটার’ নির্মাতা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:৪৩

হলিউডের প্রভাবশালী নির্মাতাদের একজন জেমস ক্যামেরন। ‘অ্যাভাটার’, ‘টাইটানিক’-এর মতো সর্বকালের ব্যবসাসফল সিনেমার এই পরিচালক জানালেন, যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত তাঁর কাছে নিছক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। বরং কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় নিউজিল্যান্ডের বিজ্ঞানভিত্তিক ও ঐক্যবদ্ধ অবস্থানই তাঁকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে।

সম্প্রতি ‘ইন ডেপথ উইথ গ্রাহাম বেসিঞ্জার’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্যামেরন বলেন, ‘আমি এখানে প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য নই, আমি এখানে এসেছি মানসিক শান্তির জন্য।’

কোভিডই বদলে দিল সিদ্ধান্ত

২০২০ সালে পরিবারসহ নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে চলে যান জেমস ক্যামেরন। তাঁর ভাষায়, কোভিড-১৯ মহামারি ছিল সেই টার্নিং পয়েন্ট, যা তাঁদের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত করে দেয়। ক্যামেরন মনে করেন, মহামারির সময় নিউজিল্যান্ড যেভাবে বিজ্ঞানকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তবতার সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীত।
ক্যামেরন বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড পুরোপুরি ভাইরাস নির্মূল করেছিল—একবার নয়, দুবার। তৃতীয়বার মিউটেশন হয়ে ভাইরাস ঢুকলেও তখন তাদের টিকাদানের হার ছিল ৯৮ শতাংশ।’

এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি তুলে ধরে ক্যামেরনের মন্তব্য, ‘যুক্তরাষ্ট্রে তখন টিকাদানের হার ছিল ৬২ শতাংশ, আর সেটাও কমছিল—ভুল পথে যাচ্ছিল।’

ক্যামেরন এই বিষয়টিকে শুধু স্বাস্থ্যসংকট নয়, বরং সামাজিক ও নৈতিক প্রশ্ন হিসেবেও দেখছেন। তাঁর প্রশ্ন, ‘আপনি কোথায় থাকতে চাইবেন? এমন একটি জায়গায়, যেখানে মানুষ বিজ্ঞান বিশ্বাস করে, মানসিকভাবে স্থিতিশীল ও একটি অভিন্ন লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করতে পারে? নাকি এমন একটি দেশে, যেখানে সবাই সবার বিরুদ্ধে, চরমভাবে বিভক্ত, বিজ্ঞানকে অস্বীকার করছে—আর আরেকটি মহামারি এলে পুরোপুরি বিশৃঙ্খলায় পড়ে যাবে?’

এই বক্তব্যের মধ্য দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক মেরুকরণ ও বিজ্ঞানবিরোধী প্রবণতার কড়া সমালোচনা করেন তিনি।

নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে পুরোনো সম্পর্ক

জেমস ক্যামেরনের নিউজিল্যান্ড-প্রেম হঠাৎ তৈরি হয়নি। তিনি প্রথম দেশটিতে যান ১৯৯৪ সালে। তখনই দেশটির সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের সঙ্গে গভীর এক সংযোগ অনুভব করেন। ক্যামেরনের স্মৃতিচারণা, ‘সেই সময় নিজেকে বলেছিলাম—একদিন আমি এখানে থাকব।’

২০১১ সালে নিউজিল্যান্ডে একটি খামার কেনেন তিনি। এরপর প্রায় এক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে যাতায়াত করলেও পুরোপুরি বসবাসের সিদ্ধান্ত নেননি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর