শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

দায়িত্ব পেয়েই বদলে গেলেন মামদানি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:৩৬

নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ বেশ সতর্ক ও পরিমিত মেজাজে পার করছেন ৩৪ বছর বয়সি ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট নেতা জোহরান মামদানি।

নির্বাচনি প্রচারের সময় কট্টর প্রগতিশীল হিসেবে পরিচিত থাকলেও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের শুরুতে তাকে অনেক ক্ষেত্রেই কৌশলী ও আপসকামী অবস্থানে দেখা যাচ্ছে।

জানুয়ারির শুরুতে দায়িত্ব নেওয়ার পর মামদানি গ্রাসি ম্যানশনে (মেয়রের সরকারি বাসভবন) উঠেছেন এবং নগরীর দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবাসন নির্মাণে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো এবং গণশৌচাগার স্থাপনের মতো জনহিতকর কাজের ঘোষণা দিলেও তার সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাজেটের ঘাটতি।

নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান অর্থবছরে ২ বিলিয়ন ডলার এবং আগামী বছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই আর্থিক বাস্তবতা সামাল দিতে গিয়ে মামদানিকে তার উচ্চাভিলাষী সামাজিক কর্মসূচিগুলোতে কিছুটা ছাড় দিতে হতে পারে।

রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে গভর্নর ক্যাথি হোকুলের সঙ্গে মামদানির ক্রমবর্ধমান সুসম্পর্ক নিয়ে। অতীতে নিউইয়র্কের মেয়র ও গভর্নরের মধ্যে তিক্ত সম্পর্কের ইতিহাস থাকলেও, মামদানি সেই পথ মাড়াননি। বিশেষ করে শিশুদের জন্য 'ইউনিভার্সাল চাইল্ড কেয়ার' নিশ্চিত করতে তিনি গভর্নরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন।

এছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ এবং পরবর্তী সময়ে যোগাযোগ বজায় রাখাও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অবাক করেছে। তবে মামদানি এখনো তার মূল প্রতিশ্রুতি অর্থাৎ ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর দাবিতে অটল রয়েছেন।

পুলিশি কার্যক্রম ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতার বিষয়েও মামদানিকে পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়েছে। অতীতে নিউইয়র্ক পুলিশের (এনওয়াইপিডি) কড়া সমালোচক হলেও মেয়র হওয়ার পর তিনি পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশকে স্বপদে বহাল রেখেছেন এবং সাম্প্রতিক কিছু পুলিশি অ্যাকশনের প্রশংসা করেছেন।

এদিকে ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যু এবং অ্যান্টিসেমিটিজম (ইহুদিবিদ্বেষ) নিয়ে তার কিছু সিদ্ধান্ত ও প্রাথমিক নীরবতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে তিনি হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, মামদানি খুব দ্রুত ভুল সংশোধন করে বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছেন, যা একজন নতুন মেয়র হিসেবে তার পরিণত কৌশলেরই বহিঃপ্রকাশ।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর