শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

তালাবদ্ধ নিজ ঘরের মধ্যেই পড়েছিল বার ডান্সারের ক্ষতবিক্ষত লাশ

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:১১

রাজধানীর গুলশানে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামে এক তরুণীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাতে গুলশানের কালাচাঁদপুর পশ্চিম পাড়ার একটি বাসা থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মীম একটি বারের ড্যান্সারের পাশাপাশি পার্লারের ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। এ ঘটনায় নুসরাত নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার এসআই মো. মারুফ আহমেদ। তিনি বলেন, শনিবার রাতে আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাদিয়া রহমান মীম নামে ওই নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করি। মুখ, মাথাসহ তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে গতকাল দুপুরের দিকে ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওখানেই তাকে দাফন করা হবে। নিহত মীম ওই এলাকার মৃত শহীদ আলীর মেয়ে। এসআই মারুফ বলেন, নিহত তরুণী পেশায় একজন ড্যান্সার ছিলেন এবং তার একটি নিজস্ব পার্লার ছিল। ইতিপূর্বে তার দুইবার বিয়ে হয়েছিল এবং উভয় স্বামীর সঙ্গেই তার বিচ্ছেদ হয়েছে। প্রথম পক্ষে মারিয়া নামে ৫ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের বড় বোন শাহিদা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৩৭) দায়ের করেন। তবে হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের রুমমেট নুসরাতকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর