শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ঠেকাতে ফিলিপাইনে গ্রোক নিষিদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৫৩

বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট ‘গ্রোক’, যা ডিপফেক ভিডিও তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। ডিপফেকের মাধ্যমে ব্যক্তির মুখ, কণ্ঠস্বর ও আচরণ নকল করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করা সম্ভব, যা বিশেষ করে সামাজিকভাবে বিভ্রান্তি ও অনলাইন নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করে। এই কারণে ফিলিপাইন সরকার গ্রোককে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দেশটির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (ডিআইসিটি) জানায়, গ্রোকের মাধ্যমে অশালীন ও ডিপফেক কনটেন্ট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং অনলাইনে অশালীন কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়া আটকাতে স্বতন্ত্র ওয়েবসাইটটি বন্ধ করা হয়েছে। ফিলিপাইনের বিদ্যমান সাইবার আইন ও শিশু সুরক্ষা আইন–এর সঙ্গে এই ধরনের কনটেন্ট সাংঘর্ষিক হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ফিলিপাইনের সাইবারক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটিং সেন্টার ( সিআইসিসি)–এর প্রধান রেনাতো পারাইসো বলেন, “গ্রোক এখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)–এর মাধ্যমে ব্যবহার করা যাচ্ছে। এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা কেবল স্বতন্ত্র ওয়েবসাইটটি ব্লক করতে পেরেছি।”

সরকার আরও জানিয়েছে, এক্সের মাধ্যমে গ্রোকের ব্যবহার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তাই এক্সএআই-এর সঙ্গে আলোচনা করে কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য।

এর আগে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশও গ্রোকের কনটেন্ট নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া ইতোমধ্যেই গ্রোককে নিষিদ্ধ করেছে। ফিলিপাইনের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিকভাবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার, নিয়ন্ত্রণ ও নৈতিকতা নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই ধরনের অপব্যবহার রোধ করতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে এআই-উন্নত প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বব্যাপী নীতি ও মানদণ্ড প্রয়োজন।

ফিলিপাইনের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং প্রযুক্তি বিশ্বে ব্যাপক মনোযোগ পেয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন নিরাপত্তা ও কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলেছে এবং অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক বা অশালীন কনটেন্ট থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর