শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ফেলানী হত্যার বিচার দাবিতে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে এনসিপির আধিপত্যবাদবিরোধী মার্চ

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:১০

‘ভারত আওয়ামী লীগের সময় বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে হস্তক্ষেপ করে এ দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মানবাধিকার কেড়ে নিয়েছে। গুম-খুনের সাথে জড়িত সকল কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। হাদি ভাইকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশে নগ্নভাবে হস্তক্ষেপের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

সীমান্তে ফেলানী হত্যার ১৫ বছর উপলক্ষে আধিপত্যবাদবিরোধী মার্চ কর্মসূচি পালন করছে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাশতলায় ভারতীয় দূতাবাসের সামনের রাস্তায় এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার প্রায় ১০০ জন সদস্য এই মার্চ নিয়ে আসেন। পরে বাশতলায় মার্চটি পৌঁছলে পুলিশ সদস্যরা ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেন।

এ সময় তারা ব্যারিকেডে আটকে থেকে নানা স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় তারা ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘গোলামী না আজাদী, আজাদী আজাদী’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দাও জনগণ’, ‘কাটা তারের ফেলানী আমরা তোমাকে ভুলেনি’, ‘ওয়ান-টু-থ্রি-ফোর ইন্ডিয়া নো মোর’, ‘এক-দুই-তিন-চার ইন্ডিয়া তুই হুঁশিয়ার’, ‘ভারতের গোলামী চলবে না চলবে না’সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

এ সময় মার্চ থেকে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, ভারত আওয়ামী লীগের সময় বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে হস্তক্ষেপ করে এ দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মানবাধিকার কেড়ে নিয়েছে। গুম-খুনের সাথে জড়িত সকল কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। হাদি ভাইকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশে নগ্নভাবে হস্তক্ষেপের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তারা আরো বলেন, এখনো সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশীদের হত্যা করছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন আগামী নির্বাচন। এই নির্বাচনে ওয়াশিংটন কিংবা মস্কোর কিংবা বেইজিং ও দিল্লির কোনো হস্তক্ষেপ আমরা মানবো না।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর