শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা, ভারতজুড়ে বিতর্ক

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৩৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক হুমায়ুন কবির ঘোষণা করেছেন, তিনি অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ৩৩তম বার্ষিকীর দিন ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় একটি ‘বাবরি মসজিদ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। তার এ ঘোষণায় দেশজুড়ে বড় রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বিজেপি মুখপাত্র ইয়াসের জিলানি বিধায়ককে তীব্র সমালোচনা করে অভিযোগ করেছেন, তিনি নির্বাচনী লাভের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়াচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘তৃণমূল নেতারা, বিশেষ করে এমএলএ হুমায়ুন কবির, ঘৃণার রাজনীতির জন্য পরিচিত।

তিনি পুরোপুরি তোষণের রাজনীতি করেন। তিনি ইচ্ছা করেই বাংলায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করছেন। আসন্ন নির্বাচনে মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করবে, সেখানে রাজনৈতিক পরিবর্তনের স্রোত উঠছে—এ কথা জানেন বলেই হুমায়ুন কবির এবং তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা তাদের ভোটব্যাংক রক্ষার জন্য মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।’
এর আগে কবির ঘোষণা করেছিলেন, ‘আমরা ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করব।

এটি সম্পূর্ণ হতে তিন বছর সময় লাগবে। বিভিন্ন মুসলিম নেতা সেই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।’ তার এই মন্তব্য সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র এবং তুলনামূলকভাবে সংযত।

কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিত বলেন, ‘যে কেউ একটি মসজিদ তৈরি করতে পারে, এতে বাবরের সঙ্গে সম্পর্ক কোথায়? তারা যদি মসজিদ বানাতে চান, বানাতে পারেন।’

কংগ্রেস এমপি সুরেন্দ্র রাজপুত বলেন, ‘কেউ যদি মসজিদ বানায়, মন্দির, গুরুদ্বার বা চার্চ বানায়, তাতে বিতর্কের কী আছে? কেন এটাকে বিতর্কে পরিণত করা হচ্ছে? প্রত্যেক ধর্মেরই নিজ নিজ উপাসনালয় নির্মাণের অধিকার রয়েছে।’

অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনও একটি ধর্মীয় ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট মাওলানা সাজিদ রাশিদি বলেন, ‘সম্ভবত তারা বুঝতে পারছেন না যেকোনো জায়গায় একবার মসজিদ তৈরি হলে তা কিয়ামত পর্যন্ত মসজিদই থাকে। ভারতজুড়ে বাবরি মসজিদের নামে শত শত মসজিদ তৈরি হলেও অযোধ্যার আসল বাবরি মসজিদের গুরুত্ব কখনো মুছে যাবে না।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর