শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

নেপালের সরকার ফেলে দেওয়ার নেপথ্যে একজন সংগীতের লোক!

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:২০

নেপালে সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধকরণ, দুর্নীতি, সরকারি কর্মকর্তার সন্তানদের অধিক সুযোগ-সুবিধাসহ নানান ইস্যুতে শুরু হয় ছাত্রবিক্ষোভ। ছাত্র-জনতার সেই আন্দোলনে গুলি চালায় সরকারি বাহিনী। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলিতে দেশটিতে নিহত হয়েছেন ১৯ জন এবং আহত তিন শতাধিক।

ছাত্র-জনতার সেই বিক্ষোভে আজ (৯ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সরকার।

ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। জানা গেছে, আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার ফেলে দেওয়ার নেপথ্যে আছেন একজন ডিস্ক জকি বা ডিজে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, নেপালের জেন-জির বিক্ষোভ-প্রতিবাদ-আন্দোলনের সমন্বয়ক ছিলেন সুদান গুরুং নামের ৩৬ বছর বয়সী এক যুবক। তিনি ‘হামি নেপাল’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি। নেপালে তার নেতৃত্বে এই শক্তিশালী আন্দোলন রূপ নেয় সরকার পতনের আন্দোলনে।

সুদান গুরুং ছিলেন একজন ডিস্ক জকি বা ডিজে। তিনি ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসতেন। অ্যাডভেঞ্চার-প্রিয় এই তরুণের জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে।

ভয়াবহ সেই ভূমিকম্পে তিনি তার সন্তানকে হারান। সেই থেকেই সমাজ-সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন তিনি।

নেপালের এই আন্দোলনে তিনি শিক্ষার্থীদের স্কুল ইউনিফর্ম পরে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। নির্দেশনা দিয়েছিলেন তারা সঙ্গে যেন বই-খাতা রাখে। শুরুতে তাদের প্রতিবাদ ছিল শান্তিপূর্ণ।

তার ডাকে নেপালের লাখ লাখ তরুণ-তরুণী রাস্তায় নেমে আসেন। গুরুংয়ের সংস্থা হামি নেপাল প্রতিবাদ-সমাবেশের নির্দেশনা দিচ্ছিলেন সামাজিক মাধ্যমে। তার নেতৃত্ব নেপালের হতাশ তরুণ প্রজন্মের কাছে একটা অবলম্বন হয়ে উঠেছিল। আজ সরকার বিরোধিতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে উঠেছেন সুদান গুরুং।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর