শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

নেপালের সরকার ফেলে দেওয়ার নেপথ্যে একজন সংগীতের লোক!

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:২০

নেপালে সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধকরণ, দুর্নীতি, সরকারি কর্মকর্তার সন্তানদের অধিক সুযোগ-সুবিধাসহ নানান ইস্যুতে শুরু হয় ছাত্রবিক্ষোভ। ছাত্র-জনতার সেই আন্দোলনে গুলি চালায় সরকারি বাহিনী। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলিতে দেশটিতে নিহত হয়েছেন ১৯ জন এবং আহত তিন শতাধিক।

ছাত্র-জনতার সেই বিক্ষোভে আজ (৯ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সরকার।

ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। জানা গেছে, আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার ফেলে দেওয়ার নেপথ্যে আছেন একজন ডিস্ক জকি বা ডিজে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, নেপালের জেন-জির বিক্ষোভ-প্রতিবাদ-আন্দোলনের সমন্বয়ক ছিলেন সুদান গুরুং নামের ৩৬ বছর বয়সী এক যুবক। তিনি ‘হামি নেপাল’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি। নেপালে তার নেতৃত্বে এই শক্তিশালী আন্দোলন রূপ নেয় সরকার পতনের আন্দোলনে।

সুদান গুরুং ছিলেন একজন ডিস্ক জকি বা ডিজে। তিনি ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসতেন। অ্যাডভেঞ্চার-প্রিয় এই তরুণের জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে।

ভয়াবহ সেই ভূমিকম্পে তিনি তার সন্তানকে হারান। সেই থেকেই সমাজ-সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন তিনি।

নেপালের এই আন্দোলনে তিনি শিক্ষার্থীদের স্কুল ইউনিফর্ম পরে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। নির্দেশনা দিয়েছিলেন তারা সঙ্গে যেন বই-খাতা রাখে। শুরুতে তাদের প্রতিবাদ ছিল শান্তিপূর্ণ।

তার ডাকে নেপালের লাখ লাখ তরুণ-তরুণী রাস্তায় নেমে আসেন। গুরুংয়ের সংস্থা হামি নেপাল প্রতিবাদ-সমাবেশের নির্দেশনা দিচ্ছিলেন সামাজিক মাধ্যমে। তার নেতৃত্ব নেপালের হতাশ তরুণ প্রজন্মের কাছে একটা অবলম্বন হয়ে উঠেছিল। আজ সরকার বিরোধিতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে উঠেছেন সুদান গুরুং।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর