শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

অস্বাভাবিক ওজন কমে যাওয়া হতে পারে যেসব রোগের লক্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:৫২

বর্তমান সময়ে ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে অনেকটাই। শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে অনেকেই নানা রকম ডায়েট ও শরীরচর্চা করে থাকেন।

তবে বিশেষ কোনো চেষ্টা ছাড়াই যদি হঠাৎ করে শরীরের ওজন দ্রুত কমতে শুরু করে, তাহলে তা চিন্তার ভাঁজ ফেলবেই!

কারণ আচমকা ওজন কমে যাওয়া শরীরের বেশ কিছু গুরুতর রোগের সংকেত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে যদি কারো মোট ওজনের ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমে যায় এবং এর পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণ না থাকে, তবে অবশ্যই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

এমন আচমকা ওজন কমে যাওয়া কোন কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে, জেনে নিন—

ক্যান্সার

হঠাৎ ওজন কমার অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে ক্যান্সার। বিশেষ করে পেট, ফুসফুস, লিভার, অগ্ন্যাশয় বা রক্তের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে রোগ শুরু হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে ওজন কমতে দেখা যায়।

হরমোনজনিত সমস্যা

হাইপারথাইরয়েডিজমে শরীরে অতিরিক্ত থাইরয়েড হরমোন তৈরি হয়। যার ফলে বিপাকের হার বেড়ে গিয়ে ওজন দ্রুত কমে যায়। অ্যাডিসন’স ডিজিজ বা কর্টিসল হরমোনের ঘাটতিতেও ওজন কমতে পারে।

পাচনতন্ত্রের রোগ

ক্রোন’স ডিজিজ, উলসারেটিভ কলাইটিস বা সিলিয়াক রোগে শরীর খাবারের পুষ্টি শোষণ করতে পারে না। ফলে ধীরে ধীরে ওজন কমতে থাকে এবং রোগী দুর্বল হয়ে পড়েন।

মানসিক সমস্যা

খাদ্য গ্রহণজনিত রোগ যেমন অ্যানোরেক্সিয়া বা বুলিমিয়ায় ওজন কমতে পারে। আবার অনেক সময় বিষণ্নতা ও উদ্বেগের কারণেও খিদে কমে যায়। যার প্রভাব সরাসরি শরীরের ওজনে দেখা দেয়।
ডায়াবেটিস ও অন্যান্য রোগ

টাইপ-১ ডায়াবেটিসে শরীর যখন গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে না, তখন শক্তির জন্য ফ্যাট ও মাংসপেশি ভেঙে ব্যবহার করে। ফলে ওজন দ্রুত কমে যায়। হার্ট ফেলিওর, টিউবারকিউলোসিস, এইচআইভি বা গুরুতর সংক্রমণেও অনিচ্ছাকৃত ওজন হ্রাস হতে পারে।

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

অনেক সময় দীর্ঘদিন কিছু ওষুধ খাওয়ার ফলে ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় বা হজমে সমস্যা হয়। এর ফলেও ওজন কমে যেতে পারে।

ক্যাশেক্সিয়া বা ওয়েস্টিং সিন্ড্রোম

এটি একটি জটিল অবস্থা, যেখানে শরীর থেকে একইসঙ্গে ফ্যাট ও মাংসপেশি নষ্ট হয়ে যায়। ক্যান্সার, হার্ট ফেলিওর বা কিডনি রোগের শেষ পর্যায়ে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি কারো শরীরের ওজন অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত কমতে থাকে, তাহলে তা একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। সেক্ষেত্রে দেরি না করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে রোগ শনাক্ত করা জরুরি। কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক চিকিৎসা শুরু করলে গুরুতর অনেক রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।

 

 



 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর