শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

এক বছরে বন্ধ ২৩৯ শিল্প কারখানা, বিপাকে লক্ষাধিক শ্রমিক

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:০৮

গত এক বছরে দেশে দুই শতাধিক শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে লক্ষাধিক শ্রমিক তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। কর্মসংস্থান হারিয়ে বিপাকে এসব শ্রমিকের পরিবারের সদস্যরা। কেউ কেউ অন্য পেশা বেছে নিলেও অনেকেই এখনো বেকার।

জমানো টাকা অথবা ঋণ করে চলছে তাদের সংসার। শিল্পাঞ্চল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত সময়ে দেশের ২৩৯টি শিল্প কারখানা বন্ধ হয়েছে। এতে এক লাখ এক হাজার ৮৯৩ জন শ্রমিক তাদের কর্ম হারিয়েছেন।

আস-সুবাহ নিটওয়্যার লিমিটেডের (বন্ধ) জেনারেল ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম জয় বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, যেহেতু আমি একজন জিএম।

আমার বেতন ৫০ হাজারের বেশি ছিল। দীর্ঘদিন চাকরি করায় কিছু টাকা জমিয়েছিলাম। সেই টাকা দিয়েই এখন সংসার চলছে। প্রতি মাসে আমার সংসারে ৪০ হাজার টাকা খরচ আছে, কিন্তু দুই মাস ধরে আমার কোনো আয় নেই।

দেশে চুরি-ডাকাতি এবং ছিনতাইয়ের প্রবণতাও বেড়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ‘কিছু দিনের মধ্যে সঞ্চয় শেষ হয়ে যাবে। তখন হয়তো আমারও বিকল্প রাস্তা খুঁজে বের করতে হবে। হোক সেটা ভালো বা খারাপ। দিনশেষে খাবারের ব্যবস্থা তো করতে হবে।

মেয়েদের স্কুলে পড়াচ্ছি হয়তো পড়াতে পারব না।’ বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় ভুগছেন চাকরি হারানো এসব শ্রমিকরা। কেউ কেউ বাসা ভাড়া না দিয়ে, দোকানের বাকি টাকা পরিশোধ না করেই গ্রামে ফিরে গেছেন বা অন্যত্র চলে গেছেন।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নতুন এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের ৮০ শতাংশ পরিবারের খরচ এখন আয়ের থেকে বেশি।

তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে। ২০২২ সালে এই হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অতি দারিদ্র্যের হার তিন বছর আগের ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, দেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। আর অতি দারিদ্র্যের হার ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। সেই হিসাবে পিপিআরসির সমীক্ষায় দেশে দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্র্য—দুটিই উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর