শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

যুদ্ধ মন্ত্রণালয় গঠনের পথে হোয়াইট হাউস?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ আগষ্ট ২০২৫, ১৭:২১

ট্রাম্প প্রশাসন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে যুদ্ধ মন্ত্রণালয় করার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে শনিবার জানানো হয়েছে। এতে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার বরাত দেওয়া হয়েছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার এই সম্ভাবনা উত্থাপন করেছিলেন।

সরকারের সবচেয়ে বড় এ মন্ত্রণালয়ের নাম যুদ্ধ মন্ত্রণালয় করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে। তবে হোয়াইট হাউস বিকল্প উপায় খুঁজছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ফ্লোরিডার রিপাবলিকান প্রতিনিধি গ্রেগ স্টুবি বার্ষিক প্রতিরক্ষানীতি বিলে একটি সংশোধনী উত্থাপন করেছেন, যাতে মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কংগ্রেসে কিছু রিপাবলিকান সদস্যও এ পরিবর্তনকে সমর্থন করছেন।

হোয়াইট হাউস বিস্তারিত কিছু জানায়নি, তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েছে, যেখানে তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর আক্রমণাত্মক সক্ষমতার ওপর জোর দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমন বলেছেন, আমাদের সামরিক বাহিনীকে শুধু প্রতিরক্ষার জন্য নয়, আক্রমণের জন্যও প্রস্তুত থাকতে হবে—এ কারণেই তিনি পেন্টাগনে ডিইআইয়ের পরিবর্তে যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং আদর্শ জাগিয়ে তুলেছেন। অপেক্ষায় থাকুন!’ ডিইআই বলতে তিনি বৈচিত্র্য, ন্যায়সংগত সুযোগ ও অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির কর্মসূচিকে বোঝান।

এদিকে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় ট্রাম্প সোমবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’ করার ধারণা উত্থাপন করেন। তিনি জানান, তার কাছে এ নামটি ‘আরো ভালো শোনায়’।

ট্রাম্প আরো বলেন, ‘এটি আগে যুদ্ধ মন্ত্রণালয় নামে পরিচিত ছিল এবং এর একটি শক্তিশালী ধ্বনি ছিল। আমরা প্রতিরক্ষা চাই, তবে আক্রমণও চাই...যুদ্ধ মন্ত্রণালয় থাকাকালে আমরা সব কিছু জয় করেছি, সব কিছু জিতেছি। আমার মনে হয় আমাদের সেটাতে ফিরে যাওয়া উচিত।’

যুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ১৯৪৭ সালের জাতীয় নিরাপত্তা আইন দিয়ে। এ আইনে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীকে একীভূত করে ন্যাশনাল মিলিটারি এস্টাব্লিশমেন্ট গঠন করা হয়।

১৯৪৯ সালের একটি সংশোধনীর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নাম গ্রহণ করা হয় এবং আজকের কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়।

ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সেনাবাহিনীকে আরো আক্রমণাত্মক চেহারায় উপস্থাপন করতে কাজ করছেন। এর অংশ হিসেবে তারা বেশ কিছু পরিবর্তন করছেন, যার মধ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে থাকা শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের অপসারণও অন্তর্ভুক্ত।

এ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন সেনাবাহিনীতে ট্রান্সজেন্ডারদের যোগদান নিষিদ্ধ করার এবং এমন যারা বর্তমানে দায়িত্বে আছেন তাদের অপসারণের উদ্যোগও নিয়েছে। পেন্টাগনের দাবি, ট্রান্সজেন্ডাররা চিকিৎসাগতভাবে অযোগ্য। তবে নাগরিক অধিকার কর্মীরা এ দাবিকে মিথ্যা ও অবৈধ বৈষম্য বলছেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর