শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

রক্তে ক্রিয়েটিনিন কেন বাড়ে, কমাবেন কিভাবে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৭ আগষ্ট ২০২৫, ১৭:২৬

ক্রিয়েটিনিন হল এক ধরনের বর্জ্য পদার্থ, যা পেশির শক্তি তৈরির সময় শরীরে তৈরি হয়। অতিরিক্ত প্রোটিন খেলেও এই উপাদান তৈরি হয়।

সাধারণত, সুস্থ কিডনি এই বর্জ্য শরীর থেকে ছেঁকে বের করে দেয়। কিন্তু কিডনিতে সমস্যা হলে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা চিন্তার কারণ।

ক্রিয়েটিনিন কত থাকলে স্বাভাবিক?
মহিলাদের ক্ষেত্রে: ০.৫৯ – ১.০৪

পুরুষদের ক্ষেত্রে: ০.৭৪ – ১.৩৫

এই মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে কিডনির অসুস্থতার আশঙ্কা থাকে। কেন বাড়ে ক্রিয়েটিনিন? কিডনির কার্যক্ষমতা কমলে, সংক্রমণ হলে, কিছু ব্যথানাশক ওষুধ বেশি খেলে, অতিরিক্ত প্রোটিন বা রেড মিট খেলে।

কীভাবে কমাবেন?
প্রোটিন কম খান:

বেশি রেড মিট বা প্রোটিন খেলে ক্রিয়েটিনিন বাড়ে। তাই এসব কমিয়ে ফল, সবজির স্যুপ ও ডাল বেশি খান।

ফাইবারযুক্ত খাবার খান:

শাকসবজি, ফল ও দানাশস্য বেশি খেলে ক্রিয়েটিনিন কমে।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন:

শরীরে পানি কমে গেলে (ডিহাইড্রেশন) ক্রিয়েটিনিন বাড়ে। তবে কিডনি রোগীরা ঠিক কতটা পানি খাবেন, তা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ঠিক করতে হবে।

কম সোডিয়াম খেতে হবে:

লবণ বেশি থাকলে রক্তচাপ বাড়ে, কিডনির ওপর চাপ পড়ে।

প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

ব্যথার ওষুধে সাবধান:

নিয়মিত পেইনকিলার খেলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে।

ধূমপান ও মদ্যপান কমান:

ধূমপান কিডনির ক্ষতি করে। অল্প পরিমাণ মদে উপকার হতে পারে, তবে বেশি খেলেই বিপদ।

ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

খাবার ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে অনেক সময় এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর