শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার সুরক্ষার দাবি এইচআরডিসির

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ আগষ্ট ২০২৫, ১৭:৪৫

রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের বামনশিকড় গ্রামে একই পরিবারের চারজনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করছে হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (এইচআরডিসি)। সংস্থাটি ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার সুরক্ষার দাবি জানিয়েছে।

শনিবার (১৬ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এইচআরডিসির সেক্রেটারি জেনারেল মাহবুল হক বলেন, ওই ঘটনা শুধু একটি পারিবারিক ট্র্যাজেডি নয়, বরং রাষ্ট্রের নাগরিকদের মৌলিক মানবাধিকার, বিশেষ করে বেঁচে থাকার অধিকার, মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার নির্মম প্রমাণ।

সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদে এই অধিকারগুলো রক্ষার অঙ্গীকার থাকলেও বাস্তবে তা কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে না।

তাই দারিদ্র্য ও ঋণের ফাঁদে পড়ে যেন আর কোনো পরিবার প্রাণ না হারায়, সেটিই এখন বড় মানবাধিকার চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় রাষ্ট্রকে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
এইচআরডিসির পক্ষ থেকে উত্থাপিত ৫ দফা দাবিতে বলা হয়, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে দ্রুত নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

ঋণ ও কিস্তি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করতে হবে। দরিদ্র ও ঋণগ্রস্ত পরিবারগুলোকে রক্ষায় কার্যকর সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। সহজলভ্য মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সহায়তা সেবা সম্প্রসারণ করতে হবে। উল্লেখ্য, ‘আমরা মরে গেলাম ঋণের দায়ে আর খাওয়ার অভাবে।

এত কষ্ট আর মেনে নিতে পারছি না। তাই আমরা বেঁচে থাকার চেয়ে মরে গেলাম, সেই ভালো হলো। কারো কাছে কিছু চাইতে হবে না। আমার জন্য কাউকে মানুষের কাছে ছোট হতে হবে না।’ এই মর্মস্পর্শী কথাগুলো একটি চিরকুটে লিখে গত শুক্রবার আত্মহত্যা করেন মিনারুল ইসলাম (৩০), তার স্ত্রী মনিরা খাতুন (২৮), ছেলে মাহিম (১৪) এবং মেয়ে মিথিলা (৩)।

চরম আর্থিক সংকট, ঋণের চাপ ও সামাজিক হতাশা এই ট্র্যাজেডির পেছনে প্রধান কারণ হতে পারে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর