প্রকাশিত:
১২ আগষ্ট ২০২৫, ১৮:০৯
ময়মনসিংহের গফরগাঁও চরমছল্দ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চুরি যাওয়া ১২টি ল্যাপটপসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
সোম ও মঙ্গলবার গফরগাঁও-শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে ময়মনসিংহ আদালতে প্রেরণ করেন।
প্রসঙ্গত, চুরির ঘটনাটি ঘটে গত ২০ জুলাই দিবাগত শেষ রাতে। গ্রেপ্তাররা হলেন গফরগাঁওয়ের চরমছল্দ কাচারীপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. আব্দুল কাইয়ুম, কান্দাপাড়া গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে লাল চাঁন ওরফে বাবু, ধোবাউড়া থানার সিংগুরা গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে জাকারিয়া আলম, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি থানার ধোপাকুড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে মাহফুজুর রহমান নয়ন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি থানার বড়ইকান্দি গ্রামের মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম।
গফরগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘চোরচক্রটি ২০ জুলাই দিবাগত শেষ রাতের দিকে চরমছল্দ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ল্যাবের গ্রিল কেটে ১৫টি ল্যাপটপ, ১৫টি চার্জার, ১৫টি কি-বোর্ড, ১৫টি মাউজ, ১ টি স্কেনার ও রাওটার চুরি করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তদন্ত শেষে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে তাদের ভাষ্যমতে চুরি যাওয়া ১৫টি ল্যাপটপ এর মধ্যে ১২টি ল্যাপটপসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের গফরগাঁও চরমছল্দ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চুরি যাওয়া ১২টি ল্যাপটপসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
সোম ও মঙ্গলবার গফরগাঁও-শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে ময়মনসিংহ আদালতে প্রেরণ করেন।
প্রসঙ্গত, চুরির ঘটনাটি ঘটে গত ২০ জুলাই দিবাগত শেষ রাতে। গ্রেপ্তাররা হলেন গফরগাঁওয়ের চরমছল্দ কাচারীপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. আব্দুল কাইয়ুম, কান্দাপাড়া গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে লাল চাঁন ওরফে বাবু, ধোবাউড়া থানার সিংগুরা গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে জাকারিয়া আলম, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি থানার ধোপাকুড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে মাহফুজুর রহমান নয়ন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি থানার বড়ইকান্দি গ্রামের মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম।
গফরগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘চোরচক্রটি ২০ জুলাই দিবাগত শেষ রাতের দিকে চরমছল্দ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ল্যাবের গ্রিল কেটে ১৫টি ল্যাপটপ, ১৫টি চার্জার, ১৫টি কি-বোর্ড, ১৫টি মাউজ, ১ টি স্কেনার ও রাওটার চুরি করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তদন্ত শেষে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে তাদের ভাষ্যমতে চুরি যাওয়া ১৫টি ল্যাপটপ এর মধ্যে ১২টি ল্যাপটপসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন: