শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

আমার কেন যেন মনে হচ্ছে, সব কিছু আগের মতোই চলছে : মাসুদ কামাল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ আগষ্ট ২০২৫, ১৮:১৪

গতকালকে আমি কনটেন্ট করেছিলাম। যেটা ছিল একজন সাবেক সচিবের বক্তব্য নিয়ে। প্রশাসনের ক্যাডারদের একটি অনুষ্ঠানে কয়েকজন সচিব ছিলেন। অনেক জুনিয়র কর্মকর্তারাও ছিলেন।

তাদের সবার সামনে সাবেক সচিব প্রকাশ্যে বলেছেন, ‘এই সরকারের আটজন উপদেষ্টার দুর্নীতির তথ্য তার কাছে আছে। রাষ্ট্রের যে গোয়েন্দা সংস্থা আছে, তাদের কাছ থেকে তিনি তথ্য পেয়েছেন।’

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এক ভিডিওতে সাংবাদিক মাসুদ কামাল আরো বলেন, ‘যদি এই তথ্য তার কাছে থাকে, তাহলে সেই তথ্য দুদককে কেন দিচ্ছেন না অথবা সরকারকে কেন দিচ্ছেন না তিনি? তিনি তো একজন পাওয়ারফুল লোক, তাহলে কেন দিচ্ছেন না। না দিয়ে অনুষ্ঠানে কেন বলছেন? এগুলো নিয়ে নানা রকমের প্রতিক্রিয়া আমি দেখছি এবং এই প্রতিক্রিয়াগুলো আমার কাছে খুবই কৌতূহলের বিষয়।

রহস্য বাড়িয়ে দিচ্ছে।’

মাসুদ কামাল বলেন, ‘কার কার প্রতিক্রিয়া পেয়েছি? প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, ওই অনুষ্ঠানের আয়োজক, সরকার এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। বিএনপির প্রতিক্রিয়া আমার কাছে সবচেয়ে রহস্যজনক এবং ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে। এটা নিয়ে আমারও কিছু বিশ্লেষণ এবং প্রতিক্রিয়া আছে।

এরপর মাসুদ কামাল বলেন, “আপনারা মনে করার চেষ্টা করেন, সেখানে সাত্তার সাহেব কী বলেছিলেন? আমি তার যেটুকু বক্তব্য প্রথম আলোতে পেয়েছি, সেটুকু আপনাদের আরেকবার পড়ে শোনাই। তিনি বলেছেন, ‘আমি খুবই হতাশ। আমাদের চরিত্র না হয় খারাপ হয়ে গেছে, কিন্তু জুলাই আন্দোলনের রক্তের ওপর দিয়ে চেয়ারে বসা অন্তত আটজন উপদেষ্টার সীমাহীন দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণ দিতে পারব। গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আট উপদেষ্টার দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

”মাসুদ কামাল বলেন, “তার বক্তব্যের সময় সেই সেমিনারে উপস্থিত সব কর্মকর্তা ‘ঠিক ঠিক’ বলে হাততালি দেন। মানে তাদের কাছেও তার বক্তব্য গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। এ ঘটনার পরদিন, অর্থাৎ শনিবার সরকার প্রেস উইংয়ের মাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে তারা বলেছে, ‘উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে সাত্তার সাহেব যে বক্তব্য দিয়েছেন, সরকার সেটাকে প্রত্যাখ্যান করেছে।’”

মন্ত্রিপরিষদসচিব শেখ আব্দুর রশিদের স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। আমরা এই অভিযোগগুলো দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। প্রমাণ উপস্থাপন বা ব্যক্তিদের শনাক্ত না করে ঢালাওভাবে অভিযোগ করা দায়িত্ব জ্ঞানহীন। জন-আস্থার জন্য ক্ষতিকর।’

মাসুদ কামাল বলেন, “আমি এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত। আসলে প্রমাণ ছাড়া কথা বলা দায়িত্ব জ্ঞানহীন একটা ব্যাপার এবং জন-আস্থার জন্য ক্ষতিকর।’ বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘আমাদের প্রশাসন স্বচ্ছতা, সততা এবং জবাবদিহির প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদি জনাব আব্দুল সাত্তারের কাছে কোনো অসদাচরণের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ থাকে, আমরা তাকে যথাযথ আইনগত ও তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের কাছে তা দ্রুত জমা দেওয়ার আহ্বান জানাই। যতক্ষণ না এমন প্রমাণ উপস্থাপন করা হচ্ছে, আমরা সব অংশীজনকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে জনপরিষদে আলোচনা অনুমান নয় বরং তথ্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত।”

মাসুদ কামাল বলেন, ‘সরকারের এই বক্তব্যকে আমি সাপোর্ট করি। আপনার কাছে যদি তথ্য থাকে সেটা আপনি জায়গামতো দেন। আপনি জায়গামতো প্রমাণ দেবেন না, বিভিন্ন জায়গায় বসে একটা মাইক্রোফোন পেয়ে উত্তেজনায় লাফাতে লাফাতে বলতে থাকলেন। এটা ভাই কোনো শোভন কাজ নয়। এই ভদ্রলোক শুনেছি যে জয়েন্ট সেক্রেটারি থাকার সময় নাকি তার রিটায়ারমেন্ট হয়ে গিয়েছিল। যেটাকে তিনি তার প্রতি এক ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ বলেন, এই দফায় তিনি প্রমোশন পেয়ে সচিবও হয়েছেন। এটা আপনি ঠিক করেননি।’

মাসুদ কামাল আরো বলেন, ‘তিনি বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব ছিলেন, একান্ত পিএস ছিলেন। সে হিসেবে সরকারের কাছে তিনি কিন্তু পাওয়ারফুলও। এগুলো নিয়ে আমি কালকে আলাপ করেছি এবং সরকারের বক্তব্যকে আমি কিন্তু সমর্থন করছি। উনি তো বলে ফেলেছেন। বলে ফেলার পরে মানুষের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে গেছে। এখন মানুষের কাছে কিন্তু তার বক্তব্যটা সন্দেহের উৎস হিসেবে থাকবে। সরকার কী বক্তব্য দিচ্ছে, এটা কিন্তু পাবলিক গ্রহণ করবে না। কাজেই সরকারের উচিত হবে তাকে জিজ্ঞাসা করা। তার কাছে প্রমাণ চাওয়া। তাকে প্রমাণ করতে হবে। যদি প্রমাণ দিতে পারেন, তাহলে আপনাদেরও (সরকার) ব্যবস্থা নিতে হবে।’

এরপর মাসুদ কামাল বলেন, ‘এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। তাদের পক্ষ থেকেও আবার একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। এই অ্যাসোসিয়েশনের মেম্বারা এখনো সচিবালয়ে আছেন, বিভিন্ন প্রশাসনের পদে আছেন বা চাকরি করছেন। তাদের ওপর নিশ্চয়ই চাপ এসেছে যে তোমরা বিবৃতি দাও। তারাও একটা বিবৃতি দিয়েছেন এবং সেখানে তারা বিভিন্ন কথা বলেছেন, আমরা ওখানে একটা সেমিনার করছিলাম। এই সেমিনারে বিষয়বস্তু যা ছিল তার বাইরেও পত্রিকাগুলোতে অনেক কিছু প্রকাশিত হইছে। আরে ভাই, সেমিনারের বক্তব্য আসার দরকার নেই। উনি আবার আমাদের সাংবাদিকতা শিখাচ্ছেন।’

মাসুদ বলেন, ‘সাংবাদিকরা সেখানে গিয়েছেন তাদের কাছে যে পয়েন্টটা ভালো লেগেছে, তারা সেই পয়েন্টটা উল্লেখ করেছেন। আপনার সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উল্লেখ করতে হবে নাকি? কই শিখছেন ভাই? কোথা থেকে শিখাচ্ছেন? ওখানে কারা আছেন, আপনারা কিভাবে কী বলছেন? আপনাদের কোন মেম্বার কী বলছেন? এগুলোর মধ্যে তাদের কাছে যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে, ইন্টারেস্টিং মনে হবে তারা সেটাকে নিয়ে লিড করবেন। এটাই নিয়ম সাংবাদিকতার।’

তিনি আরো বলেন, ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসে যারা আছেন, তারা সরকারকে একটা সার্টিফিকেট দিয়েছেন। তারা বিবৃতিতে বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।’

মাসুদ কামাল বলেন, ‘বোঝেন কিন্তু। তারপর তারা বলছে যে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছ সরকার। কিন্ত দুই দিন পর যখন সরকার থাকবে না, তখন যদি কোনো একজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়, দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায় তখন এই অ্যাসোসিয়েশনে যারা আছেন সবাইকে ওই মামলা আসামি করা উচিত। কারণ আপনি সার্টিফিকেট দিয়েছেন তো।

সার্টিফিকেট কিভাবে দিলেন? নাকি তাদের কাছে ভালো হওয়ার জন্য দিয়েছেন? নাকি তাদের চাপে পড়ে দিয়েছেন? কোনটা? আমার তো মনে হয় ভালো হওয়ার জন্য দিয়েছেন। যাতে বলতে পারেন, এই যে দেখেন স্যার, আপনি তো জানেন কে দুর্নীতি করেছিল। দেখেন স্যার আপনি এত দুর্নীতি করা সত্ত্বেও আপনার পক্ষে আমরা কিভাবে কাপড়চোপড় খুলে নামছি। এই তো আপনাদের মন-মানসিকতা।’

তিনি আরো বলেন, ‘যেটা দেখে সবচেয়ে হতাশ হয়েছি সেটা হলো মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য শুনে। তার কাছে বিবৃতি চাওয়া হয়নি, কিন্তু তিনি নিজ দায়িত্বে গত শনিবার রাতে গণমাধ্যমে একটা বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে মির্জা ফখরুল বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর নাকি তাদের পূর্ণ আস্থা আছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সততার ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা আছে।’

মাসুদ কামাল প্রশ্ন করেন, ‘আপনাদের এই সততার ওপর আস্থাটা কী করে তৈরি হলো? তৈরির ভিত্তিটা কী? এই যে একটা ব্ল্যাংক চেক আপনারা দিয়ে দিলেন। এটা কিভাবে দিলেন? একজন ব্যক্তি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী আটজন লোককে দায়ী করলেন। তিনি তো ভিত্তি হিসেবে বলল, গোয়েন্দা সংস্থার কথা। প্রমাণ দিতে পারেন আর না পারেন। আপনার (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভিত্তিটা কী?’

এরপর মাসুদ কামাল বলেন, “ফখরুল ইসলাম কী বলেছেন আমি আপনাদের পড়ে শোনাই, ‘আমি বলতে চাই হুইচ ইজ নট আওয়ারস’-এর অর্থ ওই বক্তব্যটা বিএনপির বক্তব্য নয়। এরপর মাসুদ কামাল বলেন, আপনার বক্তব্য হওয়ার তো কোনো দরকার নেই। কেউ কি বলেছে আপনার বক্তব্য? হ্যাঁ, ওই ব্যক্তি চেয়ারপারসনের পিএস ছিলেন। তিনি তো বিএনপি করেন না। তিনি তো বিএনপির প্রতিনিধিও না। তার বক্তব্য কি আপনাদের বক্তব্য হবে? এই সন্দেহটা আপনি করছেন কেন?”

মাসুদ কামাল এরপর ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য পড়ে শোনান। ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ‘এটার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা প্রধান উপদেষ্টাসহ এই অন্তর্বর্তী সরকারের সব উপদেষ্টাকে অত্যন্ত সম্মান করি এবং তাদের ওপর আস্থা আছে এবং তাদের ইন্টিগ্রিটির ওপর আমরা আস্থা রাখি।’

মাসুদ কামাল বলেন, ‘ইন্টিগ্রেটি মানে তাদের সততার ওপর আপনি আস্থা রাখেন। ভালো কথা। তার মানে আপনি সার্টিফিকেট দিচ্ছেন উপদেষ্টাদের ওপর আস্থা আছে। যদি তাদের ওপর আস্থা থাকেই তাহলে, কিছুদিন আগে আপনি তিনজন উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করছিলেন কেন? তাদের কোন ইন্টিগ্রেটির ওপর আপনাদের অনাস্থা ছিল? যে দাবিটা আপনারা কিছুদিন আগে করলেন, ওটা আজকে হঠাৎ করে মিটে গেল কেন? তার মানে সরকার যে ফেব্রুয়ারিতে ইলেকশন দিচ্ছে, আপনারা এতেই খুশি হয়েছেন। এখন বলছেন, যা নেওয়ার নিয়ে যাও কোনো সমস্যা নেই। ইলেকশনটা খালি দাও। ঘটনাটা কি এইটা?’

তিনি বলেন, ‘আপনি বিএনপির মহাসচিব। তার মানে এটা মনে করার কোনা কারণ নেই যে, আপনি বিএনপির পার্টির মালিক। আপনার পার্টির মালিক জনগণ। আপনি এই দলটার একটা দায়িত্বে আছেন মাত্র। আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যে কথাটা বলবেন সেই কথাটা জনগণকে কতটুকু টাচ করছে? জনগণের মধ্যে কী প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে? এইটা যখন আপনি ফিল করতে পারবেন তখনই আপনি বুঝবেন যে, আপনি ওই পদের জন্য যোগ্য ব্যক্তি।’

মাসুদ কামাল আরো বলেন, ‘মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর আমার খুবই শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। তাকে আমি খুব পছন্দ করি। তিনি অপ্রয়োজনীয় কথা বলেন না। কিন্তু এই কথাটা আপনি একটা অপ্রয়োজনীয় এবং রিস্কি কথা বলেছেন। এখন যদি কোনো একটা উপদেষ্টার কোনো একটা অপরাধ বা কোনো একটা দুর্নীতি খুঁজে পাওয়া যায় যার? অনেক রকম উদাহরণ, অনেক রকম কথা মানুষের মধ্যে কিন্তু ভেসে বেড়াচ্ছে। আপনি সবগুলোর দায়িত্ব নিয়ে নিলেন। আপনি সার্টিফিকেট দিয়ে দিলেন যে, লোকটা সৎ। মির্জা ফকরুল ইসলাম এটা কি আপনার নিজের মনের কথা? কারো চাপের কথা? কেউ আপনাকে দিয়ে বলাচ্ছে নাকি আপনি ভালোবেসে বলেছেন?’

মাসুদ কামাল ভিডিওর শেষে বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের পলিটিক্যাল লিডার, আমাদের আমলাতন্ত্র, এদেরকে সতর্ক হওয়া উচিত। আমার কেন যেন মনে হচ্ছে, সব কিছু আগের মতোই চলছে এবং তাদের সাপোর্ট দেওয়ার জন্য এই লোকগুলো আগের মতোই খুব উত্তেজিত হয়ে আছেন। খুবই আগ্রহী হয়ে আছেন। এটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করি।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর