শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

কেশবপুরে চার হাজার পরিবার পানিবন্দি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৭ আগষ্ট ২০২৫, ১৭:১৮

কেশবপুর পৌরসভার সাত হাজার পরিবারের মধ্যে চার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতার পানি বৃদ্ধি পাওয়া অব্যাহত থাকায় আরো পরিবার পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কা করছে পৌর কর্তৃপক্ষ। পানিতে শহরের মাছ ও কাঁচা বাজার তলিয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের পড়তে হয়েছে চরম বিপাকে। কাঁচা বাজার আড়ৎ অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়েছে।

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও নদ-নদীর পানি ঢুকে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার মধ্যকুল খানপাড়ার মতিয়ার রহমান জানান, তার বসতঘরের মধ্যে হাঁটুপানি হওয়ায় পরিবার নিয়ে অন্যত্র থাকতে হচ্ছে।

ভোগতী নোনাডাঙ্গা এলাকার আজহারুল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘পানির ভেতর দিয়েই অনেক কষ্টে চলাফেরা করতে হচ্ছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হলে ভোগান্তি আরো বাড়বে।

আলতাপোল এলাকার সাবেক কাউন্সিলর কুতুব উদ্দীন বিশ্বাস বলেন, ‘পানিতে এলাকা তলিয়ে থাকায় মানুষ দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে।’

কেশবপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল ফজল মো. এনামুল হক বলেন, ‘পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডই জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে এক, চার, পাঁচ, ছয় ও সাত নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অনেক পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

এখন পর্যন্ত পৌরসভার সাত হাজার পরিবারের মধ্যে তিন হাজার ৯০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। পানিবন্দি মানুষের জন্য কোনো ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আরো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর