প্রকাশিত:
৬ আগষ্ট ২০২৫, ১৬:২৮
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনার মামলায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় বন্দর থানায় দায়েরকৃত নাশকতার মামলায় কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক কাইউম খান জানান, তার বিরুদ্ধে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। তাকে নারায়ণগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নওগাঁর পোরশায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তিনজনকে হত্যা মামলায় তিনজন আসামির যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরো আটজনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা এবং চারজন আসামিকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে মামলার রায় প্রাদন করেন নওগাঁ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত এর বিচারক মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত কৌঁসুলি সাব্বির আহম্মেদ এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী অমরেন্দ্র নাথ ঘোষ, সঞ্জীব সরকার ও নাজমুন নাহার।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে সিদ্দিক (পলাতক), কাদির ওরফে কাদের এবং আমির আলী ওরফে আমির।
বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দুরুল হুদা (পলাতক), মো. সেমাজুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, মো. আবুল কাশেম, মো. রেজাউল করিম, মো. ওয়াজেদ আলী, আবুল কালাম এবং মো. আলিম ওরফে আলম।
মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন, রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক, মোছা. কহিনুর বেগম, মোছা. মরিয়ম বিবি এবং মোছা. কমেলা বেগম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে ৩০ আগস্ট সকালে নওগাঁর পোরশা থানার কালাইবাড়ী গ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দেশীয় অস্ত্র লাঠি, হাসুয়া ও ফালা নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষ হয়।
এতে শফিকুল, মিজানুর, সেরিনা, বইফুল ও নার্গিস সুলতানা নামে চারজন গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম হয়। তাদের উদ্ধার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। এরমধ্যে শফিকুল, সেরিনা, নার্গিস সুলতানার অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা যান।
ঘটনায় সামাদ নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে পোরশা থানায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন পাঠান। মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে তিনজন হত্যা মামলায় তিনজন আসামির যাবজ্জীবন ও আরো ৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া চারজন আসামিকে খালাস প্রদান করা হয়েছে। মামলা চলাকালীন সময় সায়েদা নামে এক আসামি মারা যান।
মন্তব্য করুন: