শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

১৫৮ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন, নূরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩০ জুলাই ২০২৫, ১৩:৫৩

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। গতকাল দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মামলাটি করা হয়েছে। মামলায় পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। সংস্থাটির উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান নূর ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া সাবেক এ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী তার নামে থাকা ১৯টি ব্যাংক হিসাবে ৮৫ কোটি ৭২ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৩ টাকা জমা এবং ৭৩ কোটি ৫ লাখ ৮১ হাজার ৩০৫ টাকা উত্তোলন করেছেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে। ফলে মোট ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে টানা পাঁচবারের এ সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নীলফামারী-২ আসন থেকে ২০০১ সালে প্রথমবারের মতো নৌকা প্রতীকে সংসদ সদস্য হন তিনি। এরপর আরো চারটি নির্বাচনে জয় পান। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনে জেতার পর সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

অভিনয়শিল্পী ও আবৃত্তিকার হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়া নূর ছাত্রজীবনে ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতি করলেও ৯০ এর দশকে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিদের ধারাবাহিক গ্রেপ্তারের মধ্যে ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার বেইলি রোডে নওরতন কলোনির বাসা থেকে আসাদুজ্জামান নূরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. মোবারক হোসেনকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বুধবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

এক দশক আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মোবারক হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে ট্রাইব্যুনালের রায়টি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

আদালতে আপিলের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও ইমরান এ সিদ্দিক। আর প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন, প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হুসাইন তামীম।

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে হত্যা, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ২৪ নভরম্বর মোবারককে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে প্রমাণিত একটি অভিযোগে তাকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্য একটিতে দেওয়া হয় যাবজ্জীন কারাদণ্ড। বাকি তিনটি অভিযোগে তাকে খালাস দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর এ রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল করেন মোবারক।

এক দশক পর গত ৮ জুলাই তার আপিলে শুনানি শুরু হয়। গত ২২ জুলাই শুনানির পর মঙ্গলবার শুনানি শেষ হলে রায়ের দিন ধার্য করেন সর্বোচ্চ আদালত।

ট্রাইব্যুনালের রায় থেকে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় মোবারক হোসেন জামায়াতের রাজনীতি করতেন। দেশ স্বাধীনের পর জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন পর্যায়ে রুকন হন তিনি। পরে দল পাল্টে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দেন। ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে আওয়ামী লীগ।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর