শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

নেত্রকোনায় কিশোরী ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৮ জুলাই ২০২৫, ১৭:১০

নেত্রকোনায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচণা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. এ কে এম এমদাদুল হক এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার ঠাকুরকোনা গ্রামের কাজল চন্দ্র সরকারের ছেলে অপু চন্দ্র সরকার, আব্দুর গফুরের ছেলে মামুন ও মৃত মিয়াচানের ছেলে সুলতান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা গ্রামের রিকশাচালক লালচান মিয়ার ১৪ বছরের শিশুকন্যা পান্নাকে ডেকে নিয়ে পাশের মাছের খামারের একটি ঘরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে খামার থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরদিন সকালে শিশু পান্নার ঝুলন্ত মরদেহ পাশের আরেকটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় পান্নার মা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলা করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৮ সনের ৫ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর