প্রকাশিত:
২২ জুলাই ২০২৫, ১৭:০৫
রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন এক নিমিষেই ধুলোয় মিশে গেছে। গতকালের এই মর্মান্তিক ঘটনা শুধু একটি জীবনই কেড়ে নেয়নি, কেড়ে নিয়েছে একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ এবং একঝাঁক রঙিন স্বপ্ন।
ফাতেমার দাদি রহিমা বেগম জানান, ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখত ফাতেমা আক্তার। তাই তাকে ভর্তি করা হয়েছিল রাজধানীর ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
গ্রামের বাড়িতে এলে আকাশে পাখি ওড়া দেখত আর বলত তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নের কথা। কিন্তু কে জানত পাখির মতো উড়ে আসা একটি বিমান হঠাৎ তার প্রাণটিকেই কেড়ে নেবে!
নিহতের পরিবার জানায়, ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত ফাতেমা আক্তার। বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয় ছোট্ট ফাতেমা। মঙ্গলবার বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কুনিয়া গ্রামে তার জানাজা শেষে কুনিয়া কওমি মাদরাসা কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
নিহত ফাতেমা আক্তার কলাতলা ইউনিয়নের কুনিয়া গ্রামের প্রবাসী বনি আমিন ও রুপা দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে বড়। ফাতেমার দাদি জানান, দুর্ঘটনার পর তাকে স্কুলে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে হাসপাতালে গিয়ে নিথর দেহ পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন: