শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

নারীদের ‘গর্ভবতী করে পালিয়ে যান’ শান্তিরক্ষীরা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ জুলাই ২০২৫, ১৬:১৪

পূর্ব কঙ্গোর গোমা শহরের উপকণ্ঠে বিরেরে নামের এক অনানুষ্ঠানিক বসতিতে লোহার পাতের ছোট্ট ঘরে দিন কাটে ১২ বছরের দিমিত্রির (ছদ্মনাম)।

দিমিত্রি রাশিয়ান শান্তিরক্ষী ও স্থানীয় নারী কামাতে বিবিচের ছেলে। কঙ্গোতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন এমওএনইউএসসিও-র এক বেদনাদায়ক স্মৃতি সে। ১৯৯৯ সাল থেকে শান্তিরক্ষী মোতায়েনের পর থেকে রয়েছে যৌন শোষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তার মা কামাতে বলেন, ‘ওর কোঁকড়ানো চুল আর হালকা গায়ের রঙের কারণে বাকি শিশুরা প্রায়ই ওকে বিরক্ত করে। সেই লাঞ্ছনার মুখোমুখি হতে চায় না বলেই ঘরেই লুকিয়ে থাকে।’

কামাতে তার বিছানার নিচ থেকে ধুলোমাখা এক বাক্স বের করে আনলেন। সেখানেই রয়েছে তার অতীতের স্মৃতি—একটি পুরনো সামরিক টুপি ও ইউরি নামের সেই শান্তিরক্ষীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি, যিনি দিমিত্রির বাবা।

স্মৃতিচারণ করে কামাতে বলেন, ‘ও অন্যদের মতো ছিল না। খুব ভালো ব্যবহার করতো, ভালোবাসতো। সেই তিন মাস ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে শান্তিময় সময়।’

ইউরি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী ছিলেন।

কামাতে জানান, গর্ভাবস্থার কথা জানার পর সন্তান ও মায়ের দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ইউরি। কিন্তু হঠাৎ করেই নিরুদ্দেশ হন তিনি, আর ফের দেখা মেলেনি তার। ফোন নম্বরটিও বন্ধ হয়ে গেছে।

জাতিসংঘের ২০০৫ সালের একটি প্রস্তাবে জাতিসংঘ কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সম্পর্ককে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ বলে বিবেচনা করা হয়, এমনকি তা সম্মতিতেই হয়ে থাকলেও।

এমওএনইউএসসিও মুখপাত্র জানান, ‘আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে ২০১২ সালে নিয়োজিত রাশিয়ান শান্তিরক্ষীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর