শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

এনসিপি নেতার চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, নেতার দাবি অনুদান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ জুলাই ২০২৫, ১৪:৩৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় এক নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এক নারীর কাছ থেকে ওই নেতার টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে অভিযুক্ত এনসিপি নেতা ইমামুর রশিদ দাবি করেছেন, ওই নারী এনসিপিতে টাকা অনুদান দিয়েছেন, তার কাছ থেকে কোনো চাঁদাবাজি করা হয়নি।

গতকাল রবিবার বিকেল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টাকা নেওয়ার ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এ ঘটনা নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর। তিনি লিখেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি আপনাদের এক কেন্দ্রীয় নেতা এক মহিলাকে প্রজেক্টে কাজ দেওয়ার কথা বলে ৪৮ লাখ টাকা নিয়েছে। তারপরও তারে কোনো কাজ দেয়নি। মহিলা টাকা দেওয়ার ভিডিও ফাঁস করে দিয়েছে।

আপনারা বয়সে ছোট, নতুন রাজনীতিবিদ। ভুল অবশ্যই করবেন, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু এগুলো তো ভুল না। বাটপারি! তিনি পোস্টে আরো বলেন, বড় বড় দুর্নীতিবাজ পলিটিশিয়ানদের দেখবেন, অনেকেই দুই নম্বরি পন্থায় আকাম কুকাম করলেও পার্টির মানে যাদের কাজ দিবে বলেছে, তাদেরকে কাজ করে দেয়।

তাই কারো টাকা খাইলে দয়া করে কাজটা ঠিক করে দিবেন। আপনাদের মূল পেশা হইলো তদবিরবাজী। এইসব দালালি পেশায় বাটপারি করতে হয় না। করলে ধরা খাইতে হয়। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ইমামুর রশিদ ইমন একজন নারীর কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা গ্রহণ করছেন।

তখন ওই নারীকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানে সাত লাখ টাকা, ১০ লাখ থাকার কথা ছিল ভাইয়া। একটু ক্রাইসিস বুঝেন না!’ এ সময় সাত লাখ দেওয়ার বিষয়ে এনসিপি নেতা বলেন, ‘ভাইকে বলছেন?’ জবাবে নারী বলেন, ‘হ্যাঁ বলেছি’।

টাকা নেওয়ার ভিডিওটি ভাইরালের পর নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন এনসিপি নেতা ইমামুর রশিদ ইমন। তিনি দাবি করেছেন, ওই নারী স্বেচ্ছায় দলে আর্থিক অনুদান দেন। এর আগেও তিনি জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে আর্থিক অনুদান দিয়েছিলেন।

ইমন বলেন, ‘ঘটনাটি যে দিনের সেদিন সন্ধ্যায় সেই মহিলা পার্টি ফান্ডে ১০ লাখ টাকা দিবে বলে পার্টির পক্ষ থেকে একজনকে পাঠাতে বলে। পার্টির পক্ষ থেকে সেই ফান্ড সংগ্রহের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়। আমি আমার দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে ফান্ডটি কালেক্ট করে কোষাধ্যক্ষের কাছে জমা দেই। আমি পার্টির একজন সদস্য হিসেবে শুধুমাত্র আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি, এর বেশি কিছুই নয়।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর