শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

গোমতীর পানি বাড়ছে, প্রস্তুত ৫৮৬ আশ্রয়কেন্দ্র

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ জুলাই ২০২৫, ১৬:০৬

ভারি বৃষ্টিপাত ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের কারণে কুমিল্লার গোমতী নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে গতকাল রাত থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমে আসায় পানির বৃদ্ধির হার কিছুটা কমেছে।

বুধবার (৯ জুলাই) রাত ১২টায় গোমতী নদীতে পানির স্তর ছিল ৯ দশমিক ৪২ মিটার। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৬৮ মিটারে, অর্থাৎ ০.২৬ মিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকালে টিক্কারচর, চান্দপুর, ঝাঁকুনিপাড়াসহ আশপাশের চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন। কেউ কেউ আবার বেড়িবাঁধের ওপরে অবস্থান নিয়েছেন। নদীর পানি বাড়তে থাকায় দেবীদ্বার, আদর্শ সদর, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, মুরাদনগর, তিতাস ও দাউদকান্দি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

টিক্কারচরের বাসিন্দা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক বলেন, গতকাল বিকেলেও পানি এতটা ছিল না।

সকালে উঠে দেখি পানি অনেক বেড়েছে। গতবারের তুলনায় এবার পানির গতি অনেক বেশি মনে হচ্ছে। যদি বাঁধ ভেঙে যায়, তাহলে চরম বিপর্যয় হবে।

কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালীউজ্জামান জানান, গোমতী নদীর বিপৎসীমা ১১ দশমিক ৩০ মিটার।

বর্তমানে পানি প্রবাহিত হচ্ছে এর চেয়ে ১ দশমিক ৬২ মিটার নিচ দিয়ে। তবে ভারতের ত্রিপুরা অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পানি আরো বাড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে নদীর বেড়িবাঁধে ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আবেদ আলী বলেছেন, গোমতী নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগাম বন্যা প্রস্তুতিসহ ৫৮৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি, প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর