শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

পুরুষের চেয়ে নারীরা বেশি হাসেন, কারণ কী?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৯ জুলাই ২০২৫, ১৮:০৫

নারী নাকি পুরুষ, কারা বেশি হাসেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলেন গবেষকরা। আর এতেই প্রকাশ্যে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য। সমীক্ষাটি বলছে, হাসির দৌড়ে পুরুষদের থেকে কয়েক যোজন এগিয়ে নারীরা। তবে এই প্রতিযোগিতায় নারী-পুরুষ সকলকে পেছনে ফেলে দিয়েছে সদ্যোজাত শিশুরা।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি শিশু দিনে গড়ে প্রায় ৪০০ বার হাসে। সেখানে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী দিনে গড়ে ৬২ বার হাসেন। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি অত্যন্ত কম। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ দিনে মাত্র ৮ বার হাসেন! অর্থাৎ, নারীদের চেয়ে পুরুষরা প্রায় সাত গুণ কম হাসেন।

হাসিতে কেন এই বিরাট পার্থক্য

গবেষকদের মতে, এর নেপথ্যে জৈবিক ও সামাজিক উভয় কারণই রয়েছে। নারীদের মুখের পেশি সঞ্চালনের ক্ষমতা পুরুষদের তুলনায় বেশি হয়। তাই তারা সহজে হাসতে পারেন। পাশাপাশি এর সঙ্গে যোগ হয় সামাজিক অনুশাসন।

ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের আবেগ প্রকাশে বেশি স্বতঃস্ফূর্ত হতে শেখানো হয়। অন্যদিকে, পুরুষদের ওপর ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখার একটি সামাজিক চাপ থাকে।

শিশুদের অফুরন্ত হাসির উৎস অবশ্য একেবারেই ভিন্ন। পারিপার্শ্বিক ইতিবাচক উদ্দীপনার প্রতি তাদের স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়াই হলো এই অনাবিল হাসির কারণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসি কেবল মন ভালো রাখার টনিক নয়, এটি সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার অন্যতম চাবিকাঠিও।

হাসি মানসিক চাপ কমায় এবং অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক সহজ করে তোলে। তাই লিঙ্গ বা বয়সের অঙ্ক না কষে, একচিলতে হাসিতেই শুরু হোক আপনার দিন।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর