শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা ছাত্রকে গুলি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৫ জুলাই ২০২৫, ১৭:০৯

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন রাজধানীর রামপুরায় একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা এক ছাত্রকে গুলির ঘটনার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

শনিবার (৫ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম এ তথ‍্য জানান।

তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সময় রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনের ওপরে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ এবং ঘটনাস্থলের সামনে আরো দুইজনকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাছ থেকে আমরা অবগত হয়েছি যে, খুব শিগগিরই এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে আসবে।

’বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর রামপুরায় একটি ভবনের ছাদের কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেন নামের এক তরুণকে গুলি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে গত ২৮ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ২৬ জানুয়ারি রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি টিম দীঘিনালা থানা থেকে এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে গ্রেপ্তার করে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আমির হোসেন জুমার নামাজ পড়ে বাসায় ফিরছিলেন। আমিরের ভাষ্য, বাসার কাছে তখন পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার মধ্যে পড়ে যান তিনি।

এ সময় পুলিশ গুলি করা শুরু করে। তখন আমির হোসেন দৌড়ে নির্মাণাধীন একটি ভবনের চারতলায় গিয়ে আশ্রয় নেন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করে পুলিশ ভবনটির চারতলায় উঠে যায়। সেখানে আমির হোসেনকে পেয়ে পুলিশ সদস্যরা তার দিকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে বারবার নিচে লাফ দিতে বলেন।

একজন পুলিশ সদস্য তাকে ভয় দেখাতে কয়েকটি গুলিও করেন। একপর্যায়ে ভয়ে আমির হোসেন লাফ দিয়ে নির্মাণাধীন ভবনটির রড ধরে ঝুলে থাকেন। তখন তৃতীয় তলা থেকে একজন পুলিশ সদস্য আমির হোসেনকে লক্ষ্য করে ছয়টি গুলি করেন। গুলিগুলো আমিরের দুই পায়ে লাগে। পরে পুলিশ চলে গেলে আমির হোসেন ঝাঁপ দিয়ে কোনোরকমে তৃতীয় তলায় পড়েন।

তখন তার দুই পা দিয়ে রক্ত ঝরছিল। প্রায় তিনঘণ্টা পর একজন শিক্ষার্থী ও দুইজন চিকিৎসক আমির হোসেনকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে তাকে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। নির্মম এই ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান আমির হোসেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর