শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

ও গ্রুপের রক্তকে সর্বজনীন দাতা বলা হয় কেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ জুলাই ২০২৫, ১৩:৫৪

মানবদেহে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণকারী সবচেয়ে পরিচিত পদ্ধতির নাম এবিও সিস্টেম। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার এ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এ পদ্ধতিতে প্রধান চারটি গ্রুপ হচ্ছে—‘এ’, ‘বি’, ‘এবি’ এবং ‘ও’। এদের মধ্যে ‘ও’ ব্লাড গ্রুপ অনন্য বৈশিষ্ট্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এই গ্রুপের রক্তকে সর্বজনীন দাতা বলা হয়।

রক্তের গ্রুপ সাধারণত নির্ধারিত হয় লোহিত রক্তকণিকার পৃষ্ঠে উপস্থিত নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেন এবং রক্তরস বা প্লাজমায় উপস্থিত অ্যান্টিবডির ওপর ভিত্তি করে। অ্যান্টিজেন এমন প্রোটিন, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে সক্রিয় করতে পারে। ‘এ’ গ্রুপের রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় ‘এ’ অ্যান্টিজেন থাকে এবং প্লাজমায় অ্যান্টিবডি ‘বি’ থাকে।

‘বি’ গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় ‘বি’ অ্যান্টিজেন থাকে এবং প্লাজমায় অ্যান্টিবডি ‘এ’ থাকে। ‘এবি’ গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় ‘এ’, ‘বি’ উভয় অ্যান্টিজেন থাকলেও প্লাজমায় কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। ‘ও’ গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় কোনো ‘এ’ বা ‘বি’ অ্যান্টিজেন থাকে না। তবে এর প্লাজমায় ‘এ’, ‘বি’ উভয় অ্যান্টিবডিই উপস্থিত থাকে। অ্যান্টিজেন না থাকায ‘ও’ নেগেটিভ রক্তকে সর্বজনীন দাতা বলা হয়। ‘ও’ নেগেটিভ লোহিত রক্তকণিকায় কোনো ‘এ’, ‘বি’ বা আরএইচ অ্যান্টিজেন থাকে না। আর তাই এ রক্ত যেকোনো রক্ত গ্রুপের রোগীকে নিরাপদে দেওয়া যেতে পারে।

রক্তের গ্রুপ অজানা থাকলে অস্ত্রোপচারের সময় ‘ও’ নেগেটিভ গ্রুপের রক্তকে সাধারণ রক্তের গ্রুপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে ‘ও’ নেগেটিভ রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিরা শুধু ‘ও’ নেগেটিভ রক্তই গ্রহণ করতে পারে। পৃথিবীর জনসংখ্যার মাত্র ৭ শতাংশ ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ ‘ও’ নেগেটিভ হলেও ‘ও’ পজিটিভ রক্তের গ্রুপ রয়েছে ৩৮ শতাংশ ব্যক্তির। রেডক্রসের তথ্যমতে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশের বেশি মানুষের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ। তারা ‘ও’ পজিটিভ রক্ত গ্রহণ করতে পারে।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর