শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ও গ্রুপের রক্তকে সর্বজনীন দাতা বলা হয় কেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ জুলাই ২০২৫, ১৩:৫৪

মানবদেহে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণকারী সবচেয়ে পরিচিত পদ্ধতির নাম এবিও সিস্টেম। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার এ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এ পদ্ধতিতে প্রধান চারটি গ্রুপ হচ্ছে—‘এ’, ‘বি’, ‘এবি’ এবং ‘ও’। এদের মধ্যে ‘ও’ ব্লাড গ্রুপ অনন্য বৈশিষ্ট্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এই গ্রুপের রক্তকে সর্বজনীন দাতা বলা হয়।

রক্তের গ্রুপ সাধারণত নির্ধারিত হয় লোহিত রক্তকণিকার পৃষ্ঠে উপস্থিত নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেন এবং রক্তরস বা প্লাজমায় উপস্থিত অ্যান্টিবডির ওপর ভিত্তি করে। অ্যান্টিজেন এমন প্রোটিন, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে সক্রিয় করতে পারে। ‘এ’ গ্রুপের রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় ‘এ’ অ্যান্টিজেন থাকে এবং প্লাজমায় অ্যান্টিবডি ‘বি’ থাকে।

‘বি’ গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় ‘বি’ অ্যান্টিজেন থাকে এবং প্লাজমায় অ্যান্টিবডি ‘এ’ থাকে। ‘এবি’ গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় ‘এ’, ‘বি’ উভয় অ্যান্টিজেন থাকলেও প্লাজমায় কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। ‘ও’ গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় কোনো ‘এ’ বা ‘বি’ অ্যান্টিজেন থাকে না। তবে এর প্লাজমায় ‘এ’, ‘বি’ উভয় অ্যান্টিবডিই উপস্থিত থাকে। অ্যান্টিজেন না থাকায ‘ও’ নেগেটিভ রক্তকে সর্বজনীন দাতা বলা হয়। ‘ও’ নেগেটিভ লোহিত রক্তকণিকায় কোনো ‘এ’, ‘বি’ বা আরএইচ অ্যান্টিজেন থাকে না। আর তাই এ রক্ত যেকোনো রক্ত গ্রুপের রোগীকে নিরাপদে দেওয়া যেতে পারে।

রক্তের গ্রুপ অজানা থাকলে অস্ত্রোপচারের সময় ‘ও’ নেগেটিভ গ্রুপের রক্তকে সাধারণ রক্তের গ্রুপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে ‘ও’ নেগেটিভ রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিরা শুধু ‘ও’ নেগেটিভ রক্তই গ্রহণ করতে পারে। পৃথিবীর জনসংখ্যার মাত্র ৭ শতাংশ ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ ‘ও’ নেগেটিভ হলেও ‘ও’ পজিটিভ রক্তের গ্রুপ রয়েছে ৩৮ শতাংশ ব্যক্তির। রেডক্রসের তথ্যমতে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশের বেশি মানুষের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ। তারা ‘ও’ পজিটিভ রক্ত গ্রহণ করতে পারে।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর