শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ড. ইউনূস-তারেক রহমানের বৈঠক ষড়যন্ত্রকারীদের কফিনে শেষ পেরেক

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ জুন ২০২৫, ১৫:৫৭

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক বৈঠক ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য "কফিনে শেষ পেরেক"।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল ও অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ নেতার মধ্যকার এ বৈঠক ছিল একটি টার্নিং পয়েন্ট। “এই বৈঠক প্রমাণ করেছে, ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য সময় শেষ। এটি একপ্রকার গেম ওভার,” বলেন শফিকুল।

প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক যুক্তরাজ্য সফর সম্পর্কে প্রেস সচিব জানান, অধ্যাপক ইউনূস ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছ থেকে একটি মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা গ্রহণ করেছেন এবং রাজা চার্লসের সঙ্গে ৩০ মিনিটের একান্ত বৈঠক করেছেন। তিনি দাবি করেন, এটি গত বছরের জুলাই থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক রূপান্তরের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

শফিকুল আরও জানান, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) বাংলাদেশের একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার ঘনিষ্ঠ সহযোগীর মালিকানাধীন প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ডলারের ৩২০টি সম্পত্তি জব্দ করেছে। “এটি এনসিএর ইতিহাসে একক বৃহত্তম সম্পত্তি জব্দের ঘটনা,” উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “এই পদক্ষেপ দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তাদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। এটি অধ্যাপক ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টার একটি বড় অগ্রগতি।”

শফিকুল জানান, সফরকালে ব্রিটিশ মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা ভবিষ্যতে আরও গভীর সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করেছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজে লাগানো যাবে। পাশাপাশি, সফরকালে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান তিনি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর