শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

ড. ইউনূস-তারেক রহমানের বৈঠক ষড়যন্ত্রকারীদের কফিনে শেষ পেরেক

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ জুন ২০২৫, ১৫:৫৭

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক বৈঠক ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য "কফিনে শেষ পেরেক"।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল ও অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ নেতার মধ্যকার এ বৈঠক ছিল একটি টার্নিং পয়েন্ট। “এই বৈঠক প্রমাণ করেছে, ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য সময় শেষ। এটি একপ্রকার গেম ওভার,” বলেন শফিকুল।

প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক যুক্তরাজ্য সফর সম্পর্কে প্রেস সচিব জানান, অধ্যাপক ইউনূস ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছ থেকে একটি মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা গ্রহণ করেছেন এবং রাজা চার্লসের সঙ্গে ৩০ মিনিটের একান্ত বৈঠক করেছেন। তিনি দাবি করেন, এটি গত বছরের জুলাই থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক রূপান্তরের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

শফিকুল আরও জানান, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) বাংলাদেশের একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার ঘনিষ্ঠ সহযোগীর মালিকানাধীন প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ডলারের ৩২০টি সম্পত্তি জব্দ করেছে। “এটি এনসিএর ইতিহাসে একক বৃহত্তম সম্পত্তি জব্দের ঘটনা,” উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “এই পদক্ষেপ দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তাদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। এটি অধ্যাপক ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টার একটি বড় অগ্রগতি।”

শফিকুল জানান, সফরকালে ব্রিটিশ মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা ভবিষ্যতে আরও গভীর সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করেছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজে লাগানো যাবে। পাশাপাশি, সফরকালে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান তিনি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর