শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

স্বামীর বিরুদ্ধে হ্যাপির মামলা: ৯ বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ মে ২০২৫, ১৮:০৮

স্বামীর বিরুদ্ধে কয়েক মাস পর পর বিয়ের অভিযোগ করেছেন ক্রিকেটার রুবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে আলোচনায় আসা সাবেক মডেল-অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপি।

ইসলামি শিক্ষায় দীক্ষিত হয়ে মিডিয়া জগৎ থেকে বিদায় নেওয়া সাবেক মডেল ও অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপি এবার তার স্বামী মুফতি মোহাম্মদ তালহার বিরুদ্ধে ৯টি বিয়ের অভিযোগ এনেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। মামলায় হ্যাপি অভিযোগ করেছেন, তালহা তাকে নিয়মিত শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছেন এবং কমপক্ষে ৯টি বিয়ে করেছেন।

একটি ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে হ্যাপি লেখেন, বিয়ের পর থেকেই তালহার আসল চরিত্র সামনে আসতে থাকে। তিনি একাধিকবার তালাক চাইলে, এর জবাবে স্বামীর আচরণ হয়ে ওঠে সহিংস। হ্যাপির ভাষায়, “তালাক চাইলে আমাকে মারধর করত, তা একবার নয়, বারবার। শরিয়ত অনুযায়ী আমার নিজ থেকে তালাক দেওয়ার অধিকার নেই, আর তালাক চাইলে সে দাবী করত ৫০ লাখ বা ১ কোটি টাকা, কিংবা সন্তানের সারাজীবনের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হবে।”

তিনি আরও জানান, বিয়ের পর তালহার পরিবার তাকে মেনে না নেওয়ায় তিনি স্বামীর সব দায়িত্ব নিজেই কাঁধে তুলে নেন। হ্যাপির ভাষায়, “সে আমার বাসায় উঠে, উবার চালাত, আমি তাকে সাপোর্ট দিয়েছি। আমার ব্যবসার টাকা সংসারে ব্যয় করেছি। কিন্তু পরে জানতে পারি, সে একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে এবং তাদের পেছনে টাকা খরচ করছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, “তালহার উপার্জনের টাকা কখনো সংসারে খরচ হয়নি, বরং মেয়েদের পেছনে ব্যয় হয়েছে। আমার ও সন্তানের জন্য কখনো খরচ করেনি।” হ্যাপি বলেন, “তার সহিংস আচরণের ভিডিও প্রমাণ রাখা সম্ভব হয়নি, কারণ রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকা অবস্থায় কেউ ভিডিও করতে পারে না।”

অন্যদিকে, তালহার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফয়জুল্লাহ ফয়েজ হ্যাপির সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তালহার একাধিক বিয়ের বিষয়টি হ্যাপি আগে থেকেই জানতেন এবং কিছু ক্ষেত্রে “সরাসরি সহযোগিতাও করেছিলেন।” আইনজীবীর ভাষ্য, “তালহা স্বাবলম্বী হতে পারার পেছনে হ্যাপির অবদান থাকলেও গত ৫-৬ বছরে তালহা হ্যাপি ও তার পরিবারের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছেন, যা হ্যাপি স্বীকার করছেন না।”

তিনি আরও বলেন, হ্যাপি তাদের সন্তানের অসুস্থতাকে এখন নির্যাতনের প্রমাণ হিসেবে দেখাচ্ছেন, যা সঠিক নয়। “তালহা কখনো তার স্ত্রীকে মারধর করেননি,” দাবি করেন তিনি।

আইনজীবী ফয়েজের মতে, “গত এক সপ্তাহেই হ্যাপি তার স্বামীর কাছ থেকে ৮ লাখ ১৮ হাজার টাকা নিয়েছেন, অথচ এখন যৌতুক মামলাও দায়ের করেছেন।” তার মন্তব্য, “শুধু পোশাক পরিবর্তন করলেই কাউকে বিশ্বাসযোগ্য ভাবা কতটা বড় ভুল—তালহা এখন সেটা উপলব্ধি করছেন।”


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর