শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধ

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর বার্তা চীনের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১২:১৭

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধের মধ্যে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের বার্তা দিল চীন। আর সেই প্রক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ভারতীয় পণ্য আমদানি আরও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং!

গত বছর রাশিয়ায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর থেকে ভারত এবং চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ‘চীনের বাজারের জন্য উপযুক্ত ভারতীয় পণ্য’ আরও বেশি পরিমাণে আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন ফেইহং।

পাশাপাশি টাইম্স অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের শুল্কনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “চীন এবং ভারত যেকোনও আধিপত্যকামী পণ্যসুরক্ষা নীতির বিরোধী।”

প্রসঙ্গত, ভারতে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র ইউ জিং গত সপ্তাহে ট্রাম্পের শুল্পনীতির বিরুদ্ধে নয়াদিল্লি-বেইজিং ঐক্যের প্রস্তাব দেন। সে সময় ফেইহং বলেছিলেন, “হিমালয়ের ওপারে আরও বেশি পরিমাণ ভারতীয় পণ্যকে স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত।” এবার সরাসরি চীনা বাজারের উপযুক্ত ভারতীয় পণ্য অনুসন্ধানের আশ্বাস দিলেন তিনি।

অল্প মূল্যের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের জোগানের বিষয়ে চীনের উপরে অনেকটাই নির্ভরশীল ভারতীয় সংস্থাগুলো। কিন্তু গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, চীন থেকে পণ্য আমদানি যে হারে বেড়েছে, সেই অনুপাতে সে দেশে রফতানি বাড়াতে পারেনি ভারত। উল্টো ২০২২ থেকে বাণিজ্য ঘাটতির ব্যবধান ক্রমশ বেড়েই চলেছে। গত অর্থ বছরে চীনের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৯৯২০ কোটি।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরামর্শদাতা সংস্থা গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (জিটিআরআই)-এর গত বছরের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছিল, চীনের কড়া নিয়ন্ত্রণ বিধি এবং অভ্যন্তরীণ বাজারের বিধিনিষেধের কারণেই ভারত রফতানি বাড়াতে পারছে না। ভারত-সহ কয়েকটি দেশের পণ্যের ক্ষেত্রে উচ্চ হারে শুল্ক, কঠিন নিয়ন্ত্রণ বিধি, অভ্যন্তরীণ বাজারের সুরক্ষা বিধি রয়েছে চীনে।

তাছাড়া, শি জিনপিংয়ের দেশে ভারতীয় রফতানি সংস্থার নথিভুক্তিতেই দু’-তিন বছর সময় লাগে। যেতে হয় কড়া পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। একটি ব্যাচের পণ্যে সমস্যা থাকলেই সেই নথিভুক্তি বাতিলের আশঙ্কা থাকে। মূল বাধা এগুলোই। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার চাপে চীন ভারতীয় পণ্য আমদানিতে নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করে নতুনভাবে নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিবিড় করতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেইহং চলতি বছরে চীনে আয়োজিত শাংহাই কো-অপারেশন শীর্ষবৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোমিকে আমন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে তার দাবি, আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের পথে হাঁটছে দুই দেশ।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর