প্রকাশিত:
২৭ মার্চ ২০২৫, ১৩:১২
উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চিপ, হাইপারসোনিক অস্ত্র ও সামরিক প্রযুক্তি বিকাশে চীনের সক্ষমতা ধীর করতে প্রথম কোনো বড় পদক্ষেপ নিল যুক্তরাষ্ট্র। ৭০টিরও বেশি চীনা গোষ্ঠী-সংস্থাকে রফতানি কালো তালিকা ‘এনটিটি লিস্টে’ যুক্ত করেছে।
গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে এফটি। এসব সংস্থার কাছে মার্কিন প্রযুক্তি বিক্রি করতে হলে বিশেষ লাইসেন্স নিতে হবে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ ধরনের লাইসেন্সের অনুমোদন দেয়া হয় না।
এ তালিকায় রয়েছে মার্কিন চিপ নির্মাতা ইন্টেলের সঙ্গে কাজ করা বৃহৎ ক্লাউড কম্পিউটিং সংস্থা ইনস্পুরের ছয় চীনা সহযোগী। বাইডেন প্রশাসন ২০২৩ সালে ইনস্পুরকে এ তালিকায় যুক্ত করেছিল, তবে সহযোগী সংস্থাগুলো এর বাইরে ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইনস্পুরের সহযোগী সংস্থাগুলো সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য সুপার কম্পিউটার তৈরিতে সহায়তা করেছে এবং চীনের বিভিন্ন প্রকল্প ও পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) জন্য মার্কিন প্রযুক্তি সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বড় এআই মডেল ও উন্নত চিপ তৈরি।
কালো তালিকা বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেন, ‘মার্কিন প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষের সামরিক বাহিনী শক্তিশালী করতে এবং মার্কিনদের জীবন হুমকির মুখে ফেলতে দেব না আমরা।’
তালিকায় আরো রয়েছে বেইজিং একাডেমি অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (বিএএআই)। অবশ্য এ তালিকাভুক্তির জন্য কোনো প্রমাণ দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত অলাভজনক এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিএএআই শিল্প ও শিক্ষাক্ষেত্রের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
এটি নিয়মিত ওপেন-সোর্স এআই মডেল ও অন্যান্য সরঞ্জাম প্রকাশ করে এবং বৈশ্বিক বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করে।
কালো তালিকায় আরো রয়েছে হেনান ডিংক্সিন ইনফরমেশন ইন্ডাস্ট্রি, নেটট্রিক্স ইনফরমেশন ইন্ডাস্ট্রি, সুমা টেকনোলজি ও সুমা-ইউএসআই ইলেকট্রনিকস।
এ সংস্থাগুলো সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য সুপারকন্ডাক্টর তৈরি করছে। এছাড়া চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত ১০টি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এসব সংস্থা দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট ফ্লাইং একাডেমির সঙ্গে যুক্ত। ওয়াশিংটন ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে এনটিটি তালিকায় যুক্ত করেছিল।
মন্তব্য করুন: