শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫, ২১শে চৈত্র ১৪৩১ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
  • শুক্রবার ব্যাংককে ড. ইউনূস ও মোদির মধ্যে বৈঠক হতে পারে
  • বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা 
  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু শেখার জায়গা নয়, স্বপ্ন দেখারও জায়গা
  • এশিয়ার দেশগুলির ভাগ্য একে অপরের সঙ্গে জড়িত
  • ৯০ দিনের মধ্যে স্টারলিংক বাণিজ্যিকভাবে চালুর নির্দেশ
  • মহান স্বাধীনতা দিবসে এবার যেসব কর্মসূচি পালিত হবে 
  • ৩ এপ্রিল ছুটি থাকলেও যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে
  • রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জনগণকে দাঁড় করানো যাবে না
  • ৯৬ নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

আপনার শিশুকে বেশি স্পেশাল করে গড়ে তুলছেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ মার্চ ২০২৫, ১৪:৪৮

সব শিশুই মা–বাবার কাছে বিশেষ কিছু তথা স্পেশাল। কিন্তু সংসারে কিছু শিশু আছে, যারা আরেকটু স্পেশাল। মানে ভেরি স্পেশাল। নানা কারণেই সমাজে কিছু শিশুকে অভিভাবকেরা অতি মনোযোগ দিয়ে, অতি স্পেশাল করে গড়ে তোলেন। এতে শিশুটির পরে নানা সমস্যা হতে পারে।

স্পেশাল শিশুর উদাহরণ

● সন্তানহীন অভিভাবকের যখন বিয়ের অনেক বছর পর বহু চেষ্টায় একটি সন্তান হয়, তখন আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো অবস্থাই হয়। তাই তো মা–বাবার কাছে এ সন্তান হয় স্পেশাল শিশু।

● একমাত্র সন্তান বা ‘সবেধন নীলমণি’ও স্পেশাল শিশু।

● পরপর কন্যাসন্তানের জন্ম। পুত্রসন্তান মিলল অতঃপর। সবার কাছে এ তো ভেরি স্পেশাল! উল্টোটাও হতে পারে।

● হতে পারে গর্ভাবস্থায় মা প্রচুর কষ্ট পেয়েছেন। এমনকি গর্ভকালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েছেন। এরপর পাওয়া সন্তান হয় রত্নসম।

স্পেশাল শিশুর সমস্যা

● স্পেশাল শিশুকে নিয়ে অভিভাবকদের ফোবিয়া থাকে। তাকে নিয়ে তাঁদের মনে থাকে সদা ভয়, অমূলক সব আশঙ্কা। তাতে শিশুর খাওয়াদাওয়া, চলাফেরা ও ওঠবস কোনোটিই আর স্বাভাবিক নিয়মে সম্পন্ন হয় না, যেমন শিশুর দেহে ধুলা লাগলেও শুরু হয় হইচই, চেঁচামেচি, শরীরে সামান্য আঁচড় লাগলে বা ব্যথা পেলে হৃৎপিণ্ড যেন ফেটে যায়। শিশু বয়সে এক–আধটু ধাক্কা তো লাগতেই পারে। কিন্তু এ ঘটনা শুনে অনেকে মূর্ছা যান।

● স্কুল বা খেলার মাঠে অন্য শিশুর সঙ্গে একটু মনোমালিন্য, ঝগড়া বা মারামারি হলে মা–বাবা ঝাঁপিয়ে পড়েন, নিজের সন্তানের পক্ষে লড়াই করতে থাকেন।

● এ ধরনের শিশুকে নিয়ে অভিভাবকদের এই যে সার্বক্ষণিক ভীতসন্ত্রস্ত মনোভাব, তা শিশুকেও ভিতু করে তোলে। সে সর্বদা ভয়ে জড়সড় থাকে। তার মধ্যে সব সময় আতঙ্কের ছায়া বিরাজ করে। বুক ধড়ফড় করে, মুখ শুকিয়ে কাঠ হয়। বেশি মাত্রার দুশ্চিন্তায় সে পেটব্যথার কথা জানায়, যা হতে পারে বারবার।

● শিশুর এ দুশ্চিন্তার ঘোর কিছুতেই কাটতে চায় না এবং কয়েক মাস ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে তার রাশ টেনে ধরা কঠিনহয়ে ওঠে।

পরামর্শ
● এমন সব সমস্যা শিশু মনোবিদ ও শিশুবিশেষজ্ঞ টিম গঠন করে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।

● শিশু, মা–বাবা ও পুরো পরিবারের কাউন্সেলিং প্রয়োজন হতে পারে।

● এমন সমস্যায় আচরণজনিত থেরাপি ও ফ্যামিলি থেরাপি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ওষুধ মুখ্য নয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর