শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

খুলনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী চার দিন ধরে নিখোঁজ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৩:১৩

খুলনায় সরকারি হাজী মোহাম্মদ মুহসীন কলেজের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী কদরুল হাসান চার দিন ধরে নিখোঁজ। গত বৃহস্পতিবার তিনি খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গার সোনার বাংলা গলির বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি।

এ ঘটনায় কদরুল হাসানের স্ত্রী সাঈদা খাতুন সোনাডাঙ্গা ও খুলনা সদর থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এ ছাড়া তিনি গতকাল (৭ সেপ্টেম্বর) শনিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনও করেছেন।

এ ব্যাপারে খুলনা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নিমাই চন্দ্র কুণ্ডু আজ রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বলেন, কদরুল হাসানের সর্বশেষ অবস্থান নগরের ময়লাপোতায় পাওয়া গেছে। সেখান থেকে তিনি কোথায় গেছেন, সেটি জানা সম্ভব হয়নি। তার খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। জিডি করার পর একজন উপপরিদর্শক (এসআই) তদন্ত করছেন। খোঁজ পেতে প্রযুক্তির মাধ্যমে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

সাঈদা খাতুন বলেন, তাঁর স্বামী (কদরুল) পড়াশোনার পাশাপাশি শেখপাড়া এলাকায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পার্টটাইম চাকরি করেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সংগ্রহের কাজেও নগরের ময়লাপোতা এলাকায় কাজ করেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে তাঁর স্বামী বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়। তখন তিনি জানিয়েছিল, বন্যার্তদের ত্রাণের কাজে ব্যস্ত আছেন। দ্রুত বাসায় ফিরবেন। পরে আর বাসায় ফেরেননি। রাত ১১টায় ফোন দিলেও কল রিসিভ করেননি। এর পর থেকে ফোন বন্ধ।

সাঈদা খাতুন আরও বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অগ্রসেনানীর ভূমিকা রেখেছেন আমার স্বামী। আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। এ অবস্থায় আমরা পরিবারের সবাই উদ্বিগ্ন।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর