শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

রাশিয়া-চীনের চার জঙ্গিবিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের ধাওয়া

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৭ জুলাই ২০২৪, ১৭:৫০

রাশিয়া ও চীনের চার জঙ্গিবিমানকে তাড়া করে আলাস্কার আন্তর্জাতিক আকাশপথ থেকে সরিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল কানাডাও।

যৌথ টহলের অংশ হিসেবে চারটি যুদ্ধবিমান যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা উপকূলে পাঠায় মস্কো ও বেইজিং। গত বুধবার বিমানগুলোর গতিপথ রুখে দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সামরিক বাহিনী।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন সংবাদ সম্মেলনে এসে এসব তথ্য দেন।

তবে রাশিয়া ও চীনের এই যৌথ টহলকে ‘আকস্মিক’ ঘটনা হিসেবে দেখছেন না অস্টিন, তার ধারণা- বেশ সময় নিয়ে এই অভিযানে নেমেছিল তারা।

আলজাজিরা লিখেছে, উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে রাশিয়া ও চীনের যুদ্ধবিমানের এমন যৌথ টহলের ঘটনা এটিই প্রথম। দেশ দুটির মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির নজিরও এটি। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্নায়ুযুদ্ধের সময়ের পারমাণবিক অস্ত্রবাহী ‘টুপোলেভ টিইউ-৯৫’ শ্রেণির দুটি রুশ যুদ্ধবিমান এবং চীনের এইচ-৬ শ্রেণির দুটি যুদ্ধবিমান যৌথ টহলে অংশ নেয়।

নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড বলেছে, উপকূলে টহল দিলেও যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সার্বভৌম ভূখণ্ডে প্রবশে করতে পারেনি রুশ-চীনা যুদ্ধবিমান।

লয়েড অস্টিন বলেছেন, পাঁচ ঘণ্টা ধরে রাশিয়া-চীনের এই যৌথ টহল চলে। বিষয়টি শনাক্ত করতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা তাদের ধাওয়া দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। বিদেশি মিত্রের যুদ্ধবিমান সঙ্গে নিয়ে আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় টহলের ঘটনা মূলত সামরিক শক্তি সম্প্রসারণের জানান দেওয়ারই শামিল।

অস্টিন বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলে দুই দেশের যুদ্ধবিমানের এমন যৌথ টহলের ঘটনা এটিই প্রথম।

রাশিয়া বলছে, চুকচি সাগর, বেরিং সাগর ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ টহলের অংশ হিসেবে চীনের দুটি যুদ্ধবিমানের সঙ্গে তাদের দুটি পাঠানো হয়েছিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ধাওয়া খাওয়ার বিষয়ে মস্কো কোনো মন্তব্য করেনি।

আলজাজিরা বলছে, টহলে অংশ নেওয়া টিইউ-৯৫ যুদ্ধবিমান স্নায়ুযুদ্ধকালে সোভিয়েত আমলে তৈরি, যা আজও অভিযান পরিচালনায় ব্যবহার করে থাকে রাশিয়া। আকাশেই নতুন জ্বালানি নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা উড়তে পারে এই শ্রেণির বিমান।

চীনের এইচ-৬ যুদ্ধবিমানও সোভিয়েত আমলের টুপোলেভ-১৬ শ্রেণির, পরে যাতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।

আলজাজিরা লিখেছে, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা সামরিক মিত্রতা বাড়িয়ে চলেছে। যৌথভাবে তারা সামরিক শক্তি সম্প্রসারণে পরস্পরকে সহযোগিতা করছে।

২০১৯ সালে প্রথমবার রাশিয়া ও চীন যৌথভাবে যুদ্ধবিমানের টহল অভিযান পরিচালনা করে। তবে সেটি যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমার আশপাশে ছিল না।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর