শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

প্রথমবার রোজার অভিজ্ঞতা জানালেন সেই জার্মান তরুণী

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২০ মার্চ ২০২৪, ১৩:৩১

মরিয়ম নামে এখন পরিচিত জার্মান তরুণী মার্টিনা ওবারহোলজনার। চলতি বছরের শুরুতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে নতুন জীবনের প্রথম রমজান পালন করছেন ২৬ বছর বয়সি এ তরুণী।

পবিত্র কুরআনের একটি জার্মান সংস্করণের মাধ্যমে তার জীবনে আসে এমন পরিবর্তন। ইসলামে শান্তি খুঁজে পেয়েছেন তিনি। মরিয়মের সেই গল্প তুলে ধরেছে খালিজ টাইমস, দ্য এমিরেটস টাইমসসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

আধ্যাত্মিক পথে এমন নতুন যাত্রার প্রতি আলোকপাত করে পেশায় মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ মরিয়ম বলেন, কিশোরী বয়স থেকেই আমি ইসলামের প্রতি গভীর সংযোগ অনুভব করতাম। খ্রিস্টান পরিবারে বড় হলেও আমি সবসময় ইসলামের আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট ছিলাম। আমি শালীন পোশাক এবং প্রায়ই শেইলা (মাথার স্কার্ফ) পরতাম।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে আমি দুবাইয়ের একটি ইসলামিক ইনফরমেশন সেন্টারে যাই এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করি, এর মাধ্যমে আল্লাহর একত্ববাদে আমার বিশ্বাস এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে তার প্রেরিত রাসুল হিসেবে গ্রহণ করার ঘোষণা দিয়েছি।

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মরিয়মের ইসলামমুখী যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৪ বছর বয়সে। সেই সময় তিনি প্রথম তার নিজ শহর মিউনিখের একটি মসজিদে গিয়েছিলেন। সেই কথা স্মরণ করে মরিয়ম বলছেন, ‘মসজিদে আমাকে আন্তরিকতা ও উষ্ণতার সঙ্গে অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল এবং তাতে আমি অভিভূত হয়েছিলাম। সেখানে আমি যে সহানুভূতি অনুভব করেছি তা আমার ওপর স্থায়ী ছাপ রেখে গেছে।

ধীরে ধীরে মরিয়ম নিজেকে মুসলিম বন্ধুবান্ধব এবং পরিচিতদের সঙ্গে আরও যুক্ত করেন। তিনি বলেন, তাদের সম্পর্কে যা আমাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছিল, তা হলো— তারা সর্বদা দয়ালু, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সাহায্যকারী মানুষ, যা আমার ইসলাম গ্রহণের পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর