শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

নেত্রকোণায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন

মেহেদী হাসান আকন্দ,নেত্রকোণা

প্রকাশিত:
৩ অক্টোবর ২০২৩, ১২:১২

নেত্রকোণা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন করা হয়। সোমবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদ পারভেজ এর সভাপতিত্বে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মামুন খন্দকারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নেত্রকোণা বিসিকের উপব্যবস্থাপক আক্রাম হোসেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান,নেত্রকোণা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধি, কারীগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) প্রতিনিধি, বিসিক শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি জহিরুল হাসান প্রমূখ।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শাহেদ পারভেজ বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে আমাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ডিজিটাল বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন করে আসছে।

২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসটি ঘোষণা করেন। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে উৎপাদনশীলতা’। আওয়ামীলীগ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এজন্য সরকারি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নয়নে একটি দক্ষ ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।


ইতোমধ্যে সরকার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স গঠন করেছে। জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের শিল্প, কৃষি ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোই দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্য। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। উৎপাদনশীলতা বাড়লে শ্রমিকরা বেশি মজুরি পাবেন। মালিকরাও অধিক মুনাফা পাবেন। ভোক্তারা পাবেন সস্তায় মানসম্মত পণ্য ও সেবা। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ফলে সরকারের আয় বাড়বে, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হবে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন সহজ হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর