শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

নির্বাচন সহায়ক পরিবেশ নেই, পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইইউ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৭:৪৩

বাংলাদেশে নির্বাচন সহায়ক পরিবেশ নেই বলে পর্যবেক্ষক দল পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আর সে কারণে তারা জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না।

তবে নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহের জন্য ছোট আকারের বিশেষজ্ঞ দল পাঠাতে পারে। ঢাকা সফর করে যাওয়া প্রাক্-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইইউ।

এ বিষয়ে দু'এক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে পারে ইইউ।

সূত্র জানায়, বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে তাদের মতামত জানিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য উপযোগী বলে মনে করছে না।

প্রাক পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দলের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এ মুহূর্তে বাংলাদেশে নির্বাচন সহায়ক পরিবেশ নেই। এ অবস্থায় পর্যবেক্ষক দল পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে ইইউ। তবে নিবাচনে পর্যবেক্ষক দল না পাঠালেও নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহের জন্য ছোট আকারের বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হতে পারে।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রণে ইইউয়ের ৬ সদস্যের প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দল গত ৮ থেকে ২৩ জুলাই বাংলাদেশ সফর করে। সে সময় রাজনৈতিক দল, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তারা বৈঠক করেন।

নির্বাচনকালীন প্রশাসন নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপি যখন মতবিরোধে তখন ইইউয়ের এমন সিদ্ধান্ত এলো।

আওয়ামী লীগ বলছে, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। অন্যদিকে বিরোধী দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে বলেছে, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না।

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও পর্যবেক্ষণ দল পাঠায়নি ইইউ।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে ‘মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর